শুকনো ফল খাচ্ছেন? বিস্তারিত জানুন!

ড্রাই ফ্রুটস (ফাইল ছবি)

স্বাস্থ্য ডেস্ক: এমন অনেক ফল আছে যেগুলা স্বাভাবিক অবস্থায় খাওয়ার পাশাপাশি শুকিয়ে খাওয়া হয়। শুকনো ফল ও বাদামই ড্রাই ফ্রুটস নামে পরিচিত। আমাদের দেশে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম, আখরোট, কিসমিস, খেজুর সবচেয়ে জনপ্রিয় ড্রাই ফ্রুটস।

আসুন জেনে নিই ড্রাই ফ্রুটস এর নানান গুন সম্পর্কে :
কাঠবাদাম:এতে রয়েছে অত্যাবশ্যক ফ্যাটি এসিড, ফাইবার, প্রোটিন ।ব্রন প্রতিহত করার জন্য কাঠবাদাম অত্যন্ত কার্যকর। রক্তে হিমোগ্লবিন বাড়ায় ও রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে। শরীরে ফুসফুস ও স্তন ক্যান্সার তৈরিতে বাধা দেয়।

কাজুবাদাম :ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তাই ত্বকের এন্টি-এজিং উপাদান হিসেবে কাজ করে। কাজুবাদাম কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার, মাইগ্রেন
ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

আখরোট :মস্তিষ্কের খাবার হিসেবে পরিচিত। মস্তিষ্কের ৬৯ % ওমেগা – ৩ ফ্যাটি এসিড দিয়ে গঠিত যার অধিকাংশই আখরোট এ পাওয়া যায়।
পেস্তাবাদাম :ত্বকে সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মি, অকাল বার্ধক্য ও ত্বকের ক্যান্সার রোধ করে।

খেজুর :খেজুরে প্রচুর পরিমাণে এন্টি – অক্সিডেন্ট রয়েছে যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখে ও শরীর গঠনে সাহায্য করে। ডায়াটারি ফাইবার বেশি থাকার কারনে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমতে থাকে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট এট্যাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুটস বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয়। পায়েস, ফিরনী, সেমাই, পোলাও, হালুয়া তে চল আছে কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম ব্যবহার এর কিন্তু স্বাস্থ্যের কথা ভাবলে ড্রাই ফ্রুটস এমনিতেই খাওয়া উচিত, রান্না করে নয়। এতে বাদামের পুস্টিমান ঠিক থাকে।

তাই বলে মুঠো মুঠো খাওয়া যাবে না আবার ডায়েট থেকে বাদ ও দেয়া যাবে না। তাই কতটুকু খেতে হবে তাও জানা জরুরী। এর উপরে নির্ভর করে সুস্থ্যতা।

পুস্টিবিদদের মতে, সব ধরনের বাদাম, কিসমিস, খেজুর সব মিলিয়ে ৫০ গ্রামের মতো ওজন হয়, এমন ভাবে তৈরি করে বিকেলের হালকা নাস্তা হিসেবে চালিয়ে দেয়া যায়। খেজুর শুধু খেতে চাইলে ২/৩টায় যথেষ্ট। শুধু বাদাম কাজু পেস্তা আখরোট হলে তার ওজন ৩০ – ৪০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
তরতাজা ফুডস এর নতুন সংযোজন এই ড্রাই ফ্রুটস। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা নাস্তা হিসেবে আমাদের ড্রাই ফ্রুটসকে আপনার সঙ্গী করে নিন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে