০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে ফাঁসিতে ঝুলে সেনা সদস্যের স্ত্রীর মূত্যু

 শেরপুরের নালিতাবাড়ী  উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা গ্রামে  বুধবার  (৮ ই অক্টোবর)  সন্ধ্যায়  এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তানিয়া দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা গ্রামের মৃত আতাহার আলী। তানিয়ার স্বামী সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত তানিয়া গত ৫ অক্টোবর স্বামীর বাড়ি বাবার বাড়িতে আসেন। মঙ্গলবার মাগরিওবের নামাজ শেষে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। পরে দীর্ঘক্ষণ ফিরে না আসায় তার মা জরিনা বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে একটি আমগাছে মেয়েকে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন তানিয়াকে নিচে নামিয়ে আনেন ততক্ষণে তানিয়া মৃত্যুবরণ করেন। গাছের নিচে তানিয়ার মোবাইল ফোন পড়ে ছিল। খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, তানিয়ার সঙ্গে স্বামী বা পরিবারের কারও কোনো মনোমালিন্য বা বিরোধ ছিলে না। তিনি কোনো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতায়ও ভুগছিলেন না।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর  জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ট্যাগঃ
প্রতিনিধির তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

জয়পুরহাট-২ আসনের দুই প্রার্থী নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের জন্য শোকজ

নালিতাবাড়ীতে ফাঁসিতে ঝুলে সেনা সদস্যের স্ত্রীর মূত্যু

পোস্ট হয়েছেঃ ০৯:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
 শেরপুরের নালিতাবাড়ী  উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা গ্রামে  বুধবার  (৮ ই অক্টোবর)  সন্ধ্যায়  এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তানিয়া দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা গ্রামের মৃত আতাহার আলী। তানিয়ার স্বামী সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত তানিয়া গত ৫ অক্টোবর স্বামীর বাড়ি বাবার বাড়িতে আসেন। মঙ্গলবার মাগরিওবের নামাজ শেষে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। পরে দীর্ঘক্ষণ ফিরে না আসায় তার মা জরিনা বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে একটি আমগাছে মেয়েকে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন তানিয়াকে নিচে নামিয়ে আনেন ততক্ষণে তানিয়া মৃত্যুবরণ করেন। গাছের নিচে তানিয়ার মোবাইল ফোন পড়ে ছিল। খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, তানিয়ার সঙ্গে স্বামী বা পরিবারের কারও কোনো মনোমালিন্য বা বিরোধ ছিলে না। তিনি কোনো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতায়ও ভুগছিলেন না।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর  জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।