
বহু জল্পনা কল্পনার পর বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। প্রত্যেকটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়ে খুশি ও আনন্দিত বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বহু বছর পর বিএনপি’র সিনিয়র নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিবেন ভেবেই আবেগে আপ্লুত হচ্ছেন এবং তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষেই হোক এই শ্লোগানে নতুন প্রজন্ম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত ৩০ জুলাই বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি আসন কর্তন করে তিনটি সংসদীয় আসন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। প্রতিবাদে জেলা জুড়ে শুরু হয় আন্দোলন। গ্রহণ করা হয় আইনি পদক্ষেপ। হাইকোর্টের রায় চারটি আসন বহাল রাখা হয়। সর্বশেষ ১০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে চারটি সংসদীয় আসন ফিরে পায় বাগেরহাটবাসী। এ কারণেই প্রার্থী ঘোষণায় দেরি হয় বিএনপি’র।
বাগেরহাট ১ (ফকিরহাট চিতলমারী ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন মাতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, বাগেরহাট ২ (সদর কচুয়া) সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী বাগেরহাট জেলা বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন, বাগেরহাট ৩ (রামপাল মংলা) সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বাগেরহাট ৪ (মোড়লগঞ্জ স্মরণখোলা) সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মাতুয়া সম্প্রদায়ের নেতা সোমনাথ দে।
জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের চূড়ান্ত প্রার্থীর নামের তালিকা ঘোষণা করেছে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রাপ্তিকে জয়ী করতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে নেতাকর্মীরা। দলের মধ্যে গ্রুপিং নিরসনে কাজ চলছে। তাছাড়া মনোনয়ন না পাওয়া প্রার্থীদের সমর্থকদের সাথেও কথা বলা হয়েছে। সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তারাও কিছুদিনের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
আব্দুল্লাহ সিয়াম 









