উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ রাণীগঞ্জ গরুর হাটে রাজু বিট ঘর নামে গরু রাখার জন্য রয়েছে আবাসিক রুম

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রাণীগঞ্জে অবস্থিত উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ গরুর হাট রাণীগঞ্জ হাট। হাটটি প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার বসে। এ হাটে দূর-দূরান্ত থেকে গরু ব্যবসায়ী ও খামারিরা তাদের গরু নিয়ে আসেন।
হাটে গরু ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য আবাসিক খামারের ব্যবস্থা রয়েছে। খামারটি তিনজন পরিচালক পরিচালনা করে থাকেন। তাদের মধ্যে অন্যতম পরিচালক মোঃ মহাসিন মন্ডল।
খামারে গরু রাখার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বেপারিরা গরু রাখার আগে প্রতিটি গরুকে একটি নাম্বার ট্যাগ দিয়ে সনাক্ত করা হয়। পরে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় সেই নাম্বার মিলিয়ে গরু বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে গরু চুরি বা ভুল হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।
আবাসিক খামারের পরিচালক মোঃ মহাসিন মন্ডল জানান, অনেক সময় গরু বেচাকেনা না হলে গরু ব্যবসায়ীরা তাদের আবাসিক হোটেলে থাকতে পারেন। সেখানে তাদের থাকা-খাওয়া ও নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়।
খামারে গরু রাখার জন্য নির্ধারিত খরচ:
২৪ ঘণ্টা: প্রতি গরু ১০০ টাকা
দিনে:  প্রতি গরু  ৩০ টাকা
এ ব্যবস্থার ফলে গরু ব্যবসায়ীরা নিরাপদে তাদের গরু হাটে রাখতে পারছেন এবং নির্বিঘ্নে বেচাকেনা করতে পারছেন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত বেলায়েত’কে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার

বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৭ মে ২০২৬ইং তারিখ রাতে বরগুনা জেলার তালতলী থানাধীন নিশানবাড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত মোঃ বেলায়েত (৪০), পিতা-মোঃ নিজাম, সাং-চর লাঠিমারা, ৯নং ইউপি, থানা- পাথরঘাটা, জেলা- বরগুনা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এজাহারের বিবরণে জানা যায়, বাদী ও অভিযুক্তগন পাশাপাশি বসবাস করে। তাদের মধ্যে গাছ কাটা নিয়ে অনেকদিন যাবত বিবাদ চলে আসছিল। ঘটনার দিন গত ১০ মে ২০২৬ইং তারিখ পুনরায় তাদের মধ্যে গাছকাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি হয় এবং অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে বাদীর স্বামীকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। উপস্থিত সাক্ষীর ডাক চিৎকারে ঘটনাস্থলে অন্যান্য সাক্ষীরা এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১১ মে ২০২৬ইং তারিখ তিনি মারা যান। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  উল্লেখ্য যে, নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্ত’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা জেলার আমতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।