কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ডাসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী (কেরানি) রুবেল হোসেনের ছবি সংগ্রহকালে সাংবাদিককে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসামির ছোট ভাই কুমারখালী সরকারি কলেজের ছাত্রদল সভাপতি হৃদয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে কুমারখালী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ধর্ষনের ঘটনায় শনিবার ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ধর্ষণ মামলা করলে ওইদিনই রুবেলকে আটক করে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
রুবেল পান্টি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নওশের এর ছেলে।
জানা যায়, রোববার সকালে ধর্ষণ মামলার আসামি রুবেলকে আদালতে নেবার সময় থানা চত্তর থেকে সাংবাদিক ছবি সংগ্রহ করতে গেলে আসামির ছোট ভাই কুমারখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হৃদয় সাংবাদিককে বাধা সৃষ্টি ও ক্যামেরা ফেলে দেবার চেষ্টা করে। এবং পান্টি ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজের অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা যাবেনা বলে জানায়। এসময় সাংবাদিকের সাথে তার বাকবিতন্ডা হয় এবং কোনভাবেই ছবি তুলতে দেওয়া হয়না। সাংবাদিককে ছবি সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনায় কুমারখালী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতির বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এবিষয়ে পান্টি ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ জানান, তিনি আগে থেকে কোন কিছুই জানেন না। তার কাছে কল করা হয়েছিলে কিন্তু তখন ফোনের ওপাশ থেকে বাকবিতন্ডা হচ্ছিল। পরে তিনি সাংবাদিককে বাধা দেওয়ার ব্যাপরে জানতে পারেন। এই ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে জানান।
কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, ১৪ মার্চ রোববার রাতে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয় এবং ঐরাতেই রুবেল নামে একজনকে আটক করে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে । এসময় সাংবাদিকের ছবি সংগ্রহকালে বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।
ক্যাপশনঃ এজাহার, অভিযুক্ত রুবেল ও সাংবাদিকের ছবি সংগ্রহকালে বাধা প্রদানকারী হৃদয় ও তার সহযোগীর ছবি ।




