ফরিদপুরে ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, দুই ভাটাকে জরিমানা

আজ ১০ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে ফরিদপুর জেলা জেলাধীন বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালে “ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩” এর বিধান লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি ইটভাটাকে মোট (১,০০,০০০ + ৫০,০০০) = ১,৫০,০০০ টাকা (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এছাড়াও রাজেন্দ্র কলেজ সংলগ্ন একটি মাংসের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ সময় মাংস নির্ধারিত দামে বিক্রির বিষয়ে দোকানদারকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযানে হালনাগাদ লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোঃ জিহাদ হোসেন।
অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুরের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় ফরিদপুর ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি চৌকস দলসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত বেলায়েত’কে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার

বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৭ মে ২০২৬ইং তারিখ রাতে বরগুনা জেলার তালতলী থানাধীন নিশানবাড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত মোঃ বেলায়েত (৪০), পিতা-মোঃ নিজাম, সাং-চর লাঠিমারা, ৯নং ইউপি, থানা- পাথরঘাটা, জেলা- বরগুনা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এজাহারের বিবরণে জানা যায়, বাদী ও অভিযুক্তগন পাশাপাশি বসবাস করে। তাদের মধ্যে গাছ কাটা নিয়ে অনেকদিন যাবত বিবাদ চলে আসছিল। ঘটনার দিন গত ১০ মে ২০২৬ইং তারিখ পুনরায় তাদের মধ্যে গাছকাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি হয় এবং অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে বাদীর স্বামীকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। উপস্থিত সাক্ষীর ডাক চিৎকারে ঘটনাস্থলে অন্যান্য সাক্ষীরা এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১১ মে ২০২৬ইং তারিখ তিনি মারা যান। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  উল্লেখ্য যে, নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র‌্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্ত’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা জেলার আমতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়।