নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৫ নং মাঘান ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভূয়া ওয়ারিশান সনদ তৈরির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত জবাব দাখিল করা হয়েছে।
লিখিত জবাবে বলা হয়, জনাব মোঃ খলিলুর রহমান তাদের বিরুদ্ধে ভূয়া ওয়ারিশান সনদ তৈরির যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মৃত নান্দু মিয়া ও আব্দুল বারেকের ভূয়া ওয়ারিশান সনদ প্রদান করা হয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্টার যাচাইকালে দেখা যায় যে, উল্লেখিত স্মারকে মৃত নান্দু মিয়া ও আব্দুল বারেকের নামে কোন ওয়ারিশান সনদপত্র প্রদান করা হয়নি।
জবাবে আরও বলা হয়, অভিযোগে যেসব মৃত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাদের সাথে অভিযোগকারী মোঃ খলিলুর রহমানের কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। তবুও তিনি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করতে এবং অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এমন মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এছাড়াও অভিযোগকারী তার দাখিলকৃত অভিযোগের সঙ্গে যে ওয়ারিশান সনদের কপি সংযুক্ত করেছেন সেখানে স্বাক্ষরের স্থানে প্রশাসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর স্ক্যান করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়, যা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। প্রকৃত সত্যতা যাচাই করতে অভিযোগকারীকে মূল কপি উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
লিখিত জবাবে আরও উল্লেখ করা হয়, মোঃ খলিলুর রহমান মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রী জানান কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব পেয়েছি। আব্দুল বারেকের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার, খলিলুর রহমানের নামে প্রতারণার একটি লিখিত অভিযোগ আমার কাছে দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে মিথ্যা অভিযোগ কারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




