বৃহস্পতিবার,৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানাধীন ষোলগাই গ্রামে চাঁদা না দেওয়ায় হামলা ও ভাংচুর

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের পল্লীতে চাঁদা না দেওয়ায় ঘরবারি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর, লুটপাট প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন, হামলার শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গৌরীপুর থানার  নীরবতা রহস্যজনক।
 ৯৯৯ নাম্বারে কল করেও প্রতিকার মেলেনি ।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানাধীন ষোলগাই গ্রামে হেকিম মাষ্টারের বসতবাড়ী ও তাদের পরিবারের লোকজনদের গোবিন্দপুর বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কতিপয় দূর্বৃত্ত গত ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৬ টায় পৈশাচিক কায়দায় বর্বোরচিত হামলা চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি  ও তান্ডব চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে নগদ টাকা, স্বর্নলংকার ও দোকানের মালামাল লুটপাট করেছে ।
এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।পুকুরের মাছ ও খামারের মুরগী লুটপাট করে নিরিহ পরিবারটিকে সর্বশান্ত করে ফেলেছে৷ । ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ।
হামলার শিকার ভুক্তভোগী বৃদ্ধ হেকিম মাষ্টার ও তার পরিবারের লোকজন জানান সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের দাবীকৃত ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ার কারণে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে ।
ঘটনার সাথে সাথে হামলার শিকার ভুক্তভোগীরা ৯৯৯ নাম্বারে প্রতিকারের আশায় কল করে জানালেও গৌরীপুর থানাপুলিশ রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি ।হেকিম মাষ্টারের পরিবারের লোকজন প্রানভয়ে বাড়ি চেয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আবারও হামলার আশংকা করা হচ্ছে।এজন্য তারা পুলিশ সুপার ও প্রতিমন্ত্রী ইন্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে ঘরবাড়ীতে কোন লোকজন নেই । বাড়িতে বৃদ্ধ হেকিম মাষ্টার ও কয়েকজন বৃদ্ধ মহিলা ছাড়া আর কেউ নেই। ঘরবাড়ি, বাজারের দোকান ভাংচুর করা হয়েছে। এসব ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
মধ্যযুগীয় হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় বৃদ্ধ একেএম আব্দুল হেকিম মাষ্টারের ছেলে মোঃ শামসুল আলম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় এজাহার করলেও মামলা রেকর্ড করা হয়নি । এমনকি নিরিহ পরিবারটিকে রক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি দাবি করেছে পরিবার ।
গৌরীপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবর প্রেরিত এজাহারে যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তারা হচ্ছে,আব্দুর রাজ্জাক (৩০), পিতা: ডা: আব্দুল উদ্দিন
নজরুল ইসলাম (বাদল) (৫০), পিতা: আব্দুল আলী,আবুল মাষ্টার (৫০), পিতা: হোসেন আলী ফকির,,রফিকুল হাসান (৩০),সাকিব আল হাসান (২৩),আজিজুর রহমান (৩৮)
,উজ্জ্বল মিয়া (৩৫),আবুল মুনছির ফকির (৪৫)
৯) রাশেদ মিয়া (৩০),হারুন অর রশিদ (৫২),জহিরুল ইসলাম (৩০),জালাল উদ্দিন (৪৮),সোহেল মিয়া (৩৬), বিজয় হোসেন (২৮),ইমাম হোসেন (২৬),সাগর মিয়া (২২)
,কামরুল ইসলাম (২৭),মাহফুজ আহমেদ (৩২),রুবেল মিয়া (২৮)ওপাপন (২৫)সহ আরও ৪/৫ জন।ভূক্তভোগীরা বলেন সন্ত্রাসীরা আব্দুর রাজ্জাক (৩০) এর নেতৃত্বে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ছিল।
বেশ কিছুদিন যাবত শামসুল আলম এর পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন সময়ে আব্দুর রাজ্জাক ও তার বাহিনীর লোকজন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হুমকি প্রদান করে আসছে । পরবর্তীতে বিগত ২৬-০৩-২০২৬ ইং তারিখে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রসহ প্রবেশ করে তাদেরকে মারধর করে এবং বাড়িতে ও গোবিন্দপুর বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট করে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে।
এ ঘটনার বিষয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের জানান এ ঘটনার সময় আমি ছুটিতে ছিলাম ওসি তদন্ত তখন দায়িত্বে ছিলেন তার সাথে যোগাযোগ করুণ। ওসি তদন্তকে কল করলে তিনি কোন কথা বলেননি ।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মোছাঃ মালিহা খানম-এর সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন