রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে সরকারী পুকুরে ময়লার বাগাড় গন্ধে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও পথচারী

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের জামালপুর বাজারে সরকারী পুকুরকে ময়লার ভাগাড় বানিয়ে ফেলেছে। আর ময়লার বাগারের গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্কুলের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা।
শনিবার সকালে সরেজমিন বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর বাজারের ভূমি অফিসের পাশে সরকারী পুকুর। পুকুরটিতে প্রতিদিন বাজারের সমস্ত ময়লা আবর্জনা পুকুরে ফেলা হয়। পাশেই রয়েছে দুইটি স্কুল ও ভুমি অফিস। স্কুলের কমলমতি শিশুরা নাক, মুখ বন্ধ করে যেতে হচ্ছে স্কুলে। ময়লা ফেলার কারণে পুকুরটি এখন ময়লার ভাগারে পরিনত হয়েছে। দুগর্ন্ধে আশপাশের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা পড়েছে চরম বিপাকে।
জামালপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা এক সেবাগ্রহীতা কামাল মিয়া বলেন, ময়লার গন্ধে অফিসে আসা যাওয়া করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। পুকুর পাড় দিয়ে আসার সময় নাক ঢেকে আসতে হয়। ময়লার কারণে পুকুরটি আজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের দ্রুত নজর দেওয়ার দাবী জানাই।
জামালপুর শাহী মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়েন গোলাম রহমান। তিনি বলেন, মসজিদে যাওয়া-আসার সময় ময়লার গন্ধে মসজিদে যাওয়া যায় না। এতোটাই গন্ধ পথ দিয়ে হেটে যাওয়া মুশকিল। বিষয়টি দেখার কেউ নেই।
জামালপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় নাক, মুখ বন্ধ করে আসতে হয়। এতো টা গন্ধ ছড়ায় তা বলার মতো না। স্কুলের ভবনের পাশেই পুকুরে বাজারের ময়লা ফেলার কারণে চরম দুগন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে। এতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের গন্ধে চরম ভাবে কষ্ঠ করতে হয়। দ্রুত এখান থেকে ময়লা সরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খায়রুল ইসলাম বলেন, এতো বড় বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলানো হয় খাস পুকুরে। গন্ধে বাজারের ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। অথচ এ বাজার থেকে সরকার প্রতি বছর ৭০-৮০ লক্ষ টাকা রাজস্ব পায়। আমি এ বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছি।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। আমি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নিবো।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন