রোববার সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আমির হোসেন। তিনি ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’-এর আওতায় রোববার (১৫ মার্চ) সুনামগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসকের বরাবর লিখিত আবেদন দাখিল করেন।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আরপিন নগর ও জামতলা এলাকার অনেক দরিদ্র পরিবার বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ত্রাণ বা সহায়তা প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমির হোসেন পৌরসভার কাছে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে ৬ নং ওয়ার্ডের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ, নগদ সহায়তা এবং ভিজিএফ/ভিজিডি কার্ড সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন।
তার আবেদনে চারটি বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—
১) ৬ নং ওয়ার্ডের জন্য বিশেষ কোনো সরকারি ত্রাণ বা কার্ড বরাদ্দ এসেছে কি না।
২) বরাদ্দ এসে থাকলে তার পরিমাণ ও ধরন (খাদ্যশস্য বা নগদ অর্থ)।
৩) ইতোমধ্যে কতজন অসহায় ব্যক্তি এই সুবিধা পেয়েছেন এবং তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা।
৪) ত্রাণ বিতরণের জন্য কোনো কমিটি বা নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না।
এ বিষয়ে আমির হোসেন বলেন, “আমি এই এলাকার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে চাই, সরকারি প্রতিটি বরাদ্দ যেন প্রকৃত দুস্থ মানুষের হাতে পৌঁছায়। তথ্য গোপন বা স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ যেন না থাকে, সেজন্যই আইনি প্রক্রিয়ায় এই তথ্যগুলো চেয়েছি।”
৬ নং ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দা জানান, আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে রয়েছেন। করোনা মহামারী থেকে শুরু করে ভয়াবহ বন্যার সময়ও তিনি সম্মুখসারিতে থেকে সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, এমন জনবান্ধব ও সচেতন নেতৃত্বই তাদের ওয়ার্ডের জন্য প্রয়োজন, যিনি সব সময় জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকবেন। অনেকেই আগামী দিনে তাকে ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান।
এদিকে পৌর প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া এই আবেদনের পর এলাকাবাসী এখন সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন।




