
সদর উপজেলার কানাইপুর বাজারে সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
এ সময় সিএম লাইসেন্স ছাড়া উৎপাদিত সয়াবিন তেলের লেবেলযুক্ত বোতল জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিএসটিআইয়ের ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের অফিসপ্রধান ও উপপরিচালক মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন প্রকৌশলী এস এম সোহরাব হোসেন এবং প্রকৌশলী মো. সাব্বির হোসেন পুলক।
বিএসটিআই সূত্রে জানা যায়, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কানাইপুরের আজিজ ফুড প্রোডাক্টসের তেলের মিল ও গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রস্তুত করা সয়াবিন তেল পাওয়া না গেলেও ‘এস বি’ ব্র্যান্ডের লেবেলযুক্ত কিছু সয়াবিন তেলের বোতল পাওয়া যায়, যা জব্দ করা হয়। ভবিষ্যতে সিএম লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া সয়াবিন তেল উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটিকে।
এ ছাড়া সাদ ফুড প্রোডাক্টসের চানাচুর, সিদ্দিকীয়া কনফেকশনারি অ্যান্ড সুইটসের মিষ্টিজাত পণ্য, তাওয়াক্কুল লাইভ বেকারি অ্যান্ড পেস্ট্রি শপ এবং জেটিএফ লাইভ ফুডসের ব্রেড পণ্যের জন্য বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ও মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
অভিযানকালে কানাইপুর বাজারের আল মদিনা সুইটস, সুজন মিষ্টান্ন ভান্ডার, এম সিদ্দিকীয়া সুইটস, কৃষ্ণ বিষ্ণু মিষ্টান্ন ভান্ডার, নারু বিষ্ণু মিষ্টান্ন ভান্ডার, আদর্শ মিষ্টান্ন ভান্ডার, জননী দধি ভান্ডার, গৌর গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডার ও তামিম মিষ্টান্ন ভান্ডার পরিদর্শন করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানকে দই ও মিষ্টিজাত পণ্যের জন্য প্রয়োজনীয় সিএম লাইসেন্স এবং মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ সময় ‘প্যাকেটের ওজনসহ মিষ্টি বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। প্যাকেটের ওজন বাদ দিয়ে মিষ্টি ওজন করুন, আইন মেনে চলুন’—শীর্ষক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোর দৃশ্যমান স্থানে লিফলেট প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।
বিএসটিআইয়ের ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. কামাল হোসেন জানান, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং পণ্যের মান নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।





