![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ৬:৪৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১, ২০২৬, ১১:০৬ এ.এম
খাগড়াছড়িতে ক্যজাই মারমা’র ৩০তম শহীদ বার্ষিকীতে পিসিপি’র প্রদীপ প্রজ্বলন
খাগড়াছড়িতে ক্যজাই মারমা’র ৩০তম শহীদ বার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
গতকাল মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬ সন্ধ্যার সময় খাগড়াছড়ি সদর এলাকায় প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ ক্যজাই মারমার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পিসিপি’র খাগড়াছড়ি জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রাজু ত্রিপুরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একই সংগঠনের জেলা অর্থ সম্পাদক স্বপন চাকমা।
শহীদ ক্যজাই মারমার আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বপন চাকমা বলেন, ক্যজাই মারমা স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। শহীদ হওয়ার আগে তিনি শেষবারের মতো বলে গেছেন যে, “স্বায়ত্তশাসনের জন্য রক্তের প্রয়োজন। আমি দিয়ে গেলাম। জয় আমাদের অনিবার্য।” তাঁর এই কথা ছাত্র সমাজকে এখনো আন্দোলিত করে।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ক্যজাই মারমার মতো ত্যাগের মানসিকতা লালন করতে হবে। তাঁর স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
স্বপন চাকমা দীর্ঘ ৩০ বছরেও ক্যজাই মারমা হত্যার বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৩১ মার্চ অন্যায়ভাবে আটক চাথোয়াই প্রু মারমার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচি সফল করতে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে খাগড়াছড়ির পানখিয়া পাড়া এলাকায় এপি ব্যাটালিয়নের সদস্যদের গুলিতে ক্যজাই মারমা নিহত হন।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.