![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ৭:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১১:০৫ এ.এম
গলাচিপায় হাম ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তি ধারণ ক্ষমতা তিনগুন
গলাচিপায় হাম ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রােগী ভর্তি থাকায় ওয়ার্ডগুলাতে তৈরি হয়েছে ভীড়। এতে রাগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে হাম আক্রান্ত শিশুদের সঙ্গে ডেঙ্গু রাগীদের পাশাপাশি অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন রােগীর স্বজনরা। গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক মাসে হাম রােগে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জন এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৩ জন ভর্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাে. মেজবাহ উদ্দিন।
গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেওয়া তথ্য মতে, ১ তারিখ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম রােগে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জন এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৩ জন ভর্তি হয়েছিল। এরমধ্যে বর্তমান আজ বুধবার পর্যন্ত হাম আক্রান্ত ২১ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯ জন ভর্তি রয়েছে। গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ জন রােগীর ধারণ ক্ষমতা থাকলেও ভর্তি রয়েছে তিনগুণ অর্থাৎ ১৪৮ জন। অতিরিক্ত রােগী ভর্তি থাকায় সাধারণ রােগী ও সংক্রমিত রােগীদের আলাদা করে কােন কক্ষ বা বেড সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে রােগীরা করিডাের বা ফ্লােরের মেঝেতে চিকিৎসা সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
গলাচিপার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা গ্রামের সালমা বেগম বলেন, চারদিন আগে আমার মেয়ে সারামনি হামে আক্রাব্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হই। কি আমার বাচ্চার পাশের বেডেই অন্য আরেকজন ডেঙ্গু রােগী ভর্তি রয়েছে। পাশাপাশি দুই রােগী থাকায় আমি আমার মেয়ে নিয়া শঙ্কার মধ্যেই চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছি।
ওই ইউনিটের সারামনির পাশের বেডে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডাকুয়া ইউনিয়নের বড়চত্রা গ্রামের এবাদুল মিয়া। তিনি বলেন, আমি তিনদিন ধরল হাসপাতালে আছি। কিন্তু আমার চারপাশে হামের রােগী ভর্তি আছে। হাসাপাতালের নার্সদের কাছে কয়েকবার মশারি চেয়েও পাইনি। হাম আক্রান্ত শিশুদের পাশাপাশি থাকতে আমারা খারাপ লাগে। চিকিৎসা তাে নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মাল. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের এখানে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে তিনগুণ রােগী ভর্তি আছে। আমাদেরকে প্রতিদিনই এমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তিনি আরাে বলেন, হাম রােগীদের জন্য আলাদা পাঁচটি বেডের ব্যবস্থা করেছিলাম। কি অতিরিক্ত রােগীদের চাপে আমারা হিমশিম খাচ্ছি। তার পরেও যতটুকু সম্ভব আমাদের সেবা অব্যাহত রয়েছে।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.