
নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার পৌরসদরের বিলচলন শহীদ সামসুল জ্জোহা সরকারি অনার্স কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজ পড়ান শাকিলের ফুফাতো ভাই হাফেজ সাগর। নামাজ শেষে পুড়ানপাড়া কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এতে নানা শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষ এ জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন। গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিলকে শেষবারের মতো বিদায় দিতে হাজির হোন বিএনপির হাজারো নেতা- কর্মী।
এর আগে সন্ধ্যার পর থেকেই কলেজ মাঠে দলে দলে আসতে থাকে মানুষ। এক পর্যায়ে জানাজা নামাজ শুরু আগেই মাঠ মানুষে মানুষের সমাগমে কানায় কানায় ভরে যায়।
পরে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক রহিল নেওয়াজ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মারুফুল ইসলাম সৃজন প্রমুখ।
নাটোর সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন দুবৃর্ত্ত হামলায় আহত গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলে সদস্য সচিব শাকিলের খবর পাওয়া মাত্র তাঁর চিকিৎসা যাবতীয় ব্যবস্থা নেই। পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন তার খোঁজ নিতে যাই। শাকিল আইসিইতে থাকা অবস্থায় আমাকে সালাম দিয়েছিল। আমার বিশ্বাস ছিল শাকিল সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। কিন্তু এভাবে চলে যাবে ভাবতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি কথা দিলাম এই গুরুদাসপুরের মাটিতেই শাকিল হত্যাকান্ডের বিচার হবে। আমি শাকিলের পরিবারের দেখভালের দায়িত্ব নিলাম।
নাটোর -৪ আসনের এমপি আব্দুল আজিজ বলেন, শাকিল হত্যাকান্ডে যেই জড়িত থাকুক তাদের বিচার হবে। এঘটনায় আমার ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টু যদি জড়িত থাকে আমার সন্তান বলে ছাড় দেওয়া হবে না।
এ জানাজা নামাজে জেলা ও উপজেলার সকল বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





