গোমস্তাপুরে তরুণ উদীয়মান ছাত্রদল নেতা নাফিস

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুর পৌর এলাকার  ৪ নং ওয়ার্ড মাস্টারপাড়া মহল্লায় বেড়ে উঠা এই তরুণ উদীয়মান ছাত্র নেতা হতে চাই রহনপুর পৌর ছাত্রদলের সভাপতি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সাবেক কেন্দ্রীয় যুবদল সদস্য, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা যুবদলের সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদ এর ২য় সন্তান এই নাফিস।
তিনি প্রায় ৬ বছর থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে
সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন এই তরুণ সংগঠক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রহনপুর এলাকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য স্থাপিত একটি পানির বেসিন দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে ছিল। বিষয়টি তার নজরে আসার পর তিনি নিজ উদ্যোগে রহনপুর পৌরসভা ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহযোগিতায় সেটি সংস্কার করে পুনরায় জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন। ফলে প্রতিদিনের যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হয়েছে।
এছাড়াও রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া কমিউটার ট্রেনের বগিগুলো এলোমেলো অবস্থায় থাকায় যাত্রীদের চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতো। এই সমস্যা নিরসনে তিনি বগিগুলোর অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা যাত্রীদের যাতায়াতে সুবিধা এনে দিয়েছে।
শুধু এই দুটি উদ্যোগই নয়, এর পাশাপাশি তিনি আরও নানা সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করছেন। তার এই ধারাবাহিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণ এই নেতৃত্বের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে রহনপুরের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আর এই ছাত্র রাজনীতি করার কারণে তাকে বহুবার ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরের কাছে হেনস্থার স্বীকার হতে হয়েছে। তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে থাকার কারনে সে সহ তার বাবা ও ভাইকে আটকও করে ছিলেন পুলিশ।
 এতকিছুর পরেও তাকে দমাতে পারেনি কেউই।
আপনি পৌর ছাত্রদলের কমিটিতে পদ না পেলে কি করবেন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
কমিটি শুধু একটা কাগজের নাম, আসল পরিচয় গড়ে উঠে মানুষের আস্থা, ত্যাগ আর পরিশ্রমের মাধ্যমে। পদ-পদবির প্রতি আমার কোনো মোহ নেই।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক জনাব তারেক রহমান ও সম্মানিত সিনিয়র নেতৃবৃন্দ যদি আমাকে যোগ্য বিবেচনা করেন, তাহলে তারা যে দায়িত্ব দিবেন সেটাই আমার জন্য গৌরব আমি সবসময় সংগঠনের জন্য কাজ করে যেতে চাই। দল থেকে অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব আমি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে যথাযথভাবে পালন করতে চাই। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতি উপহার দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি আদর্শ, ত্যাগ ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আন্তরিক পরিশ্রম কখনোই বৃথা যায় না। সংগঠন তার যোগ্য কর্মীদের মূল্যায়ন করতে জানে তাই আশা রাখি, আমি এই মাতৃভূমি রহনপুর পৌর ছাত্রদলের সভাপতি হবো।
আমার এই পথচলায় আমি হতাশ হবো না।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়কের ধুপাখোলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আগাম সতর্ক করে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সম্পন্ন

কোম্পানীগঞ্জের ধলাই দক্ষিণ বালু মহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে ২ নং