![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ৬:১৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ১৪, ২০২৬, ৫:৫২ এ.এম
চরফ্যাশনে মিটার না দেখেই ভুতুড়ে বিল: ৯ নং ওয়ার্ড জ্বালো মুন্সির এলাকায় চরম ক্ষোভ
ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের জ্বালো মুন্সির এলাকায় বিদ্যুৎ অফিসের বিল রিডারদের বিরুদ্ধে সরেজমিনে মিটার না দেখে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল তৈরি এবং বিলে অতিরিক্ত ইউনিট বসিয়ে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাস্তবে মিটারের বর্তমান রিডিংয়ের চেয়ে বিলে অনেক বেশি ইউনিট দেখানোয় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকার শত শত গ্রাহক।
আজ সরেজমিনে জ্বালো মুন্সির এলাকায় গিয়ে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে বিদ্যুৎ অফিসের এমন দায়িত্বহীনতা ও অনিয়মের করুণ চিত্র উঠে আসে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা সরজমিনে গ্রাহকের বাড়িতে এসে মিটার না দেখেই অফিসে বসে কাল্পনিক ও মনগড়া বিল তৈরি করেন। বিলে এমন হিসাব দেওয়া হচ্ছে, যা মিটারের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
বাস্তব এক চিত্রে দেখা যায়, এক গ্রাহকের ঘরের মিটারে বর্তমানে স্পষ্ট রিডিং রয়েছে ১৭,৬৮০ ইউনিট। কিন্তু বিদ্যুৎ অফিস থেকে তার হাতে যে বিলের কাগজ পাঠানো হয়েছে, সেখানে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ১৮,৬৯০ ইউনিট। অর্থাৎ, বাস্তবে মিটার যতটুকু চলেছে, তার চেয়েও ১,০১০ ইউনিট অতিরিক্ত লিখে কাগজ মেলানো হয়েছে!
একই অবস্থা এলাকার আরও বহু গ্রাহকের। না চড়েও মিটারে অতিরিক্ত ইউনিটের কারণে প্রতি মাসে বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সাধারণ পরিবারগুলো।
ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা নিজেদের মনের আকুতি প্রকাশ করে বলেন, "আমরা বিদ্যুৎ ব্যবহার করি একরকম, আর আমাদের বিল দেওয়া হয় আরেক রকম। অফিসে বসে নিজের ইচ্ছামতো ইউনিট বসিয়ে দেয়, কোনোদিন আইসা মিটারটা চোখ মেল্যাও দেখে না। এই জালিয়াতি আর ভুতুড়ে বিলের চাপে আমরা সাধারণ মানুষ দিশেহারা। অবিলম্বে এই মনগড়া বিল তৈরি বন্ধ করতে হবে।"
স্থানীয়দের দাবি, অনতিবিলম্বে সরেজমিনে প্রতিটি ঘরের মিটার দেখে সঠিক রিডিং অনুযায়ী সঠিক বিল প্রদান করতে হবে। একই সাথে গ্রাহক হয়রানির পেছনে জড়িত দায়িত্বহীন কর্মচারীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগীরা।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.