চুনারুঘাটে ৬ ভারতীয় গরু জব্দ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৬টি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার আমুরোড বাজারে গরুগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের সুন্দরপুর (করইঠিলা) এলাকায় চুনারুঘাট থানার এসআই মৃদুল হাসান তরফদারের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কথিত ভারতীয় গরু চোরাকারবারি পাসপোর্ট জামাল, চটপটি সিরাজ, রসুন রহিম ও আবুল খায়ের ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গরুগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, “আটক গরুগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক চোরাকারবারিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

‎অনলাইন জুয়ার প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার শিক্ষক আরিফুলের মৃত্যু, আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ

‎​লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো ব্যবসার প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার কলেজ শিক্ষক আরিফুল ইসলাম (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ‎ ‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে টানা ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ‎ ‎শুক্রবার রাত থেকে মরদেহ আসার অপেক্ষায় স্বজন, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আদিতমারীর দুর্গাপুর ইউনিয়নের গন্ধমরুয়া গ্রামে ভিড় করেন। পুরো এলাকায় কান্নার রোল ও তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়নি। ‎​ ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে এলাকায় মাদক ও অনলাইন জুয়াবিরোধী সচেতনতামূলক আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। এলাকায় চিহ্নিত জুয়াড়ি চক্রের মূলহোতা রহিদুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগীদের জুয়া ও সামাজিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের তাগিদ দেন এবং না শুনলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করার হুশিয়ারি দেন তিনি। ‎​এরই জেরে গত ১ আগস্ট বিকেলে কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিজ বাড়ির কাছেই অনলাইন জুয়াড়ি রহিদুলের নেতৃত্বে অন্যান্য জুয়াড়িরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষক আরিফুলের মাথায়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল এবং অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তাঁর মৃত্যু হয়। ‎​ ‎ঘটনার পর গত ২ আগস্ট নিহতের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আদিতমারী থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা মামলার ১ নম্বর আসামি রহিদুল ইসলামকে গত ১২ আগস্ট রাতে ঢাকার নয়াতলা এলাকা থেকে র‌্যাব-১৩ গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে আদিতমারী থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠায়।