আসন্ন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনা ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদল জামালপুর জেলা শাখার আহবায়ক এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলাম খান সজিব। তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই হেভিওয়েট ছাত্রনেতা ও যুবনেতাকে ঘিরেই এখন জামালপুর পৌর এলাকার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীরা নতুন স্বপ্ন দেখছেন।
তৃণমূলের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোঃ সফিকুল ইসলাম খান সজিব ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতিতে একনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তিনি এর আগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জামালপুর জেলা শাখার সাবেক আহবায়ক, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। শুধু স্থানীয় রাজনীতিতেই নয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সদস্য হিসেবেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, জামালপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (২) হিসেবে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় সুত্র জানায়, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সাহসী ভূমিকা রাখতে গিয়ে তিনি পর্যায়ক্রমে ৪ বার কারাবরণ করেন এবং তাঁর নামে ২৯টি রাজনৈতিক মামলা হয়। সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে তিনি মাঠের রাজনীতিতে অবিচল থেকেছেন।
এ ছাড়া ও জামালপুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এর সভাপতি ও নান্দিনা বানারের পাড় ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি ও।
পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মোঃ সফিকুল ইসলাম খান সজিবের সমর্থনে সাধারণ ভোটার এবং যুবসমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে নেমেছে। শিক্ষাগত যোগ্যতায় এম.এস.এস ডিগ্রিধারী ও দেওয়ানপাড়া এলাকার বাসিন্দা সজিব তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, জামালপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন, নাগরিক বান্ধব ও মাদকমুক্ত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে সফিকুল ইসলাম খান সজিবের মতো সৎ, কর্মঠ ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
মেয়র প্রার্থিতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোঃ সফিকুল ইসলাম খান সজিব বলেন, আমি বিগত ১৭ বছর এমন কোন আন্দোলন সংগ্রাম যেখানে নাই, যে আমি উপস্হিত ছিলাম না। ঢাকার কমসূচী, ময়মনসিংহের কমসূচি সকল জায়গায় উপস্হিত ছিলাম। অসংখ্য মামলা মোকাদ্দমা ও আসামি হয়েছি। দলের নেতা কর্মী দের যত বিপদ আপদেই আসুক পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
“আমি ছাত্রজীবন থেকে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত আছি। জামালপুর পৌরসভার নাগরিকরা দীর্ঘদিন যাবত কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সঠিক নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ যদি সুযোগ দেয়, তবে জামালপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত এবং জবাবদিহিতামূলক প্রথম শ্রেণীর মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।”
পৌরবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এই নেতার প্রার্থিতা ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।




