
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় লেবুখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড উত্তর আঠারোগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা বয়োবৃদ্ধা আনোয়ারা বেগমকে (৭০) লোন নিয়ে জালিয়াতি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফোরকান হাওলাদারের (৪৫) বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, আনোয়ারা বেগম তাঁর স্বামী শামসু ফরাজির মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি ঋণ উত্তোলন করে ফোরকান হাওলাদারকে দেন। চুক্তিমতে কিস্তির টাকা ফোরকানের পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কিস্তি অনাদায় দেখে ব্যাংকের প্রতিনিধিরা আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে গেলে তিনি জানতে পারেন যে ফোরকান নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছেন না।
এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিকেলে আনোয়ারা বেগম কিস্তি না দেওয়ার কারণ জানতে ফোরকান হাওলাদারের বাড়িতে যান। সেখানে কিস্তি পরিশোধ না করার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেই ফোরকান তাঁর ওপর চড়াও হন এবং তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধরসহ হাত মুচড়ে দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম ক্ষোভ ও বিচার দাবি করে বলেন, “লেবুখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি হওয়ায় ফোরকান হাওলাদার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার পাওনা টাকা দিচ্ছে না এবং উল্টো আমাকে মারধর করেছে। তাঁর ভয়ে ও প্রভাবে আমরা প্রশাসনের কাছে যেতে সাহস পাচ্ছি না।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফোরকান হাওলাদার মারধরের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “আমি তাঁর কাছ থেকে টাকা নিয়েছি এবং নিয়মিত কিস্তিও পরিশোধ করছি। মাত্র দুই মাসের কিস্তি বাকি রয়েছে।” রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখানে রাজনৈতিক দলকে কেন টানা হচ্ছে।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান,এ জাতীয় কোনো অভিযোগ এখনো থানায় আসেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





