![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১২, ২০২৬, ৪:৪৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ১১, ২০২৬, ৭:৫৮ পি.এম
পূর্ব বাড্ডায় জমি দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার বৈঠাখালী এলাকার আলিফ নগরে পাঁচ কাঠা জমি দখলের চেষ্টা, হত্যার হুমকি ও হামলার অভিযোগ তুলে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন মো. হাবিবুর রহমান মিন্টু ও তাঁর স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার। এ ঘটনায় মো. শাহিন নামের এক ব্যক্তিকে দায়ী করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দম্পতি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. হাবিবুর রহমান মিন্টু বলেন, জীবনের উপার্জনের সমুদয় অর্থ দিয়ে পূর্ব বাড্ডার বৈঠাখালী এলাকার আলিফ নগরে পাঁচ কাঠা জমি কিনেছেন তাঁরা। কিন্তু ওই জমি দখল করে রাখার পাশাপাশি মো. শাহিন তাঁদের বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
লিখিত বক্তব্যে মিন্টু আরও অভিযোগ করেন, গত ৭ অক্টোবর মো. শাহিন লোকজন নিয়ে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করেন। এতে তাঁরা রক্তাক্ত জখম হন বলে দাবি করেন তিনি। পরে এ ঘটনায় মামলা করতে বাড্ডা থানায় গেলে কর্তব্যরত পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেন মিন্টু। তাঁর দাবি, পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে, শাহিনের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া যাবে না।
ভুক্তভোগী দম্পতি জানান, এর আগে গত ১৪ আগস্ট ও ৩ অক্টোবর বাড্ডা থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁরা। এ ছাড়া তাঁদের ওপর হামলার ঘটনায় ২৯ আগস্ট ও ২৩ সেপ্টেম্বর দুটি অভিযোগও জমা দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে মিন্টু বলেন, “জীবনের সর্বশেষ সম্বল দিয়ে কেনা পাঁচ কাঠা জমি ফেরত চাই। একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চাই।”
এ সময় তিনি ও তাঁর স্ত্রী প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁদের অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা এবং জমি ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শাহিন কিংবা সংশ্লিষ্ট পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.