![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ২:০৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ৫:৪২ এ.এম
বগুড়ায় প্রশাসনের দুর্নীতির কারনে, একটি পরিবার ভেঙে তছনছ
বগুড়ায় প্রশাসনের দুর্নীতির কারনে, একটি পরিবার ভেঙে তছনছ। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার অধীনে সোনার গাঁ দক্ষিণ পাড়ায় আনোয়ার হোসেন (পিতা মৃত-শাজাহান) এর পরিবারে ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার বিবারন:- আনোয়ার হোসেন জানান ২০০১ সালে তার বাবা মৃত্যুর পর একই গ্রামের ১নং মোঃ হযরত আলী সানোয়ার (পিতা মৃত-ইচাহাক আলী) ২নং মোঃ জহুরুল (পিতা মৃত-আফজাল হোসেন) সহ পর্দার আড়ালে থাকা আরো অসৎ লোক তার পরিবারে প্রতিনিয়ত হস্তক্ষেপ করে আসছে।
২০০৯ সালে আনোয়ার হোসেন বিবাহ করতে চাইলে তার মা' সম্মতি প্রদান করেন এবং বিবাহের দিন তারিখও ঠিক হয়। কিন্তু বাধা হয়ে দাড়ায় উল্লেখিত ১ ও ২নং ব্যক্তি। কারণ তারা তার হবু শশুর মিজানুর রহমানের নিকট থেকে এক লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবী করেন। তার শশুড় তাদেরকে টাকা দিতে অস্বীকার করলে আনোয়ারকে বিবাহ করতে বাধা প্রদান করে। আনোয়ার হোসেন চাদাঁবাজদের কথা অমান্য করে মা'য়ের সম্মতিতে বিবাহ করলে তার ও তার মা'য়ের উপর নির্যাতনের স্ট্রীম রোলার চালাইতে থাকে। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আনোয়ার তার স্ত্রীকে নিয়ে অসহায় মাকে রেখে ঢাকায় যায়। অত্যাচারের মাত্রা তার মা'য়ের উপর ক্রমশ বাড়তে থাকে। যার ফল শ্রতিতে তার মা, য়ের অকাল মৃত ঘটে।
আনোয়ার হোসেন তার মা'য়ের অকাস্মত মৃত্যু ও চাদাবাজঁদের বিচার চেয়ে প্রথমে ধুনট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু ধুনট থানার ওসি অভিযোগের আসামীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেই নি। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। তখন কার জেলা প্রশাসক হোসনে আফরোজ অভিযোগটা আমলে নেয় এবং তদন্তের জন্য অভিযোগটা এস. পির মাধ্যমে ধুনট থানায় প্রেরণ করেন। কিন্তু ধুনট থানার ওসি অভিযোগের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেই নি। এই দিকে অপরাধীরা অভিযোগ উঠাইয়া নেওয়ার জন্যে ভিক্টিমকে নানা রকম চাপ সৃষ্টি করেন। এখানে উল্লেখ্য যে, {আনোয়ার হোসেনর দুই মেয়ে বড় মেয়ে হুমায়রা খাতুন(১৫) ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুন(৬)}। হঠাৎ করে স্ত্রীর বাড়ি থেকে উধাও, বড় মেয়ে স্ট্যাম্পে বিক্রি, ছোট মেয়ে এতিম খানায় ভর্তি ইত্যাদি ইত্যাদি দুর্ঘটনা ঘটতে থাকে এক মাত্র পুলিশ, প্রশাসনের দুর্নীতির কারন। এবং ভিক্টিমকে কারনে অকারণে মারধোর করে। আনোয়ার হোসেনকে মারার এবং তার উপর ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অত্যাচারের বিচার চেয়ে থানায় পচিঁশটি ইউ. এন. ও ওফিসে চারটি অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার পায়নি। তাই ভিক্টিম গত ২৪/০২/২০২৬ ইং তারিখে থানায় তার দেওয়া অভিযোগের প্রতিকার চাইত গেলে ভারপ্রাপ্ত ওসি আতিকুল ইসলাম বি. পি নং-
৭৮০৬১০০৪৪২,ভিক্টিমকে এস. আই ওসমান গণির(বি. পি নং-৭৩৯২০৬৮৩৮৪) হাতে তুলে দেয়। ওসমান গণি ভিক্টিমকে টিনের ছাপড়া ঘরে নিয়ে এলো পাথারি ভাবে চড় থাপ্পর মারে। ভিক্টিমকে অন্যায় ভাবে মারের বিষয়টি ডি. সি ও এস. পিকে জানাইলেও তারা এখন পর্যন্ত ঐ দুই পুলিশের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেইনি। মানুষকে মেরে ফেলা অর্থাৎ হত্যা করা, চাদাবাজিঁ, সন্ত্রাসী, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা বগুড়া জেলার এস. পি, ডি. সি এবং ধুনট উপজেলার ইউ. এন. ও ও ও. সির নিকট কোন অপরাধ না। তাইতো এতগুলো অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোন প্রতিকার মিলেনি। বগুড়া - ৪০, ধুনট-শেরপুর নির্বাচনী এলাকার এম. পি গোলাম মো সিরাজ জানাই আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন দুর্নীতি রাখবো না কিন্তু বাস্তব চিত্র দেখা যায় ভিন্ন, ধুনট শেরপুরে দুর্নীতিতে ভরা দালালে ভরা। দালালদের কথামত প্রশাসন উঠে আর বসে। এম. পি মহোদয় সাথে দুর্নীতি বাজ ও দালালদের বন্ধুত্ব সূলভ সম্পর্ক রয়েছে। আনোয়ার হোসেন তার ছোট মেয়েক এতিম খানা থেকে উদ্ধার করে অপরাধীদের চাপের মুখে অনিশ্চয়তার মাঝে মানবতার দিনাতিপাত করছে। আনোয়ার হোসেন উচ্চ পদস্থ প্রশাসনের নিকট অপরাধীদের বিচার দাবী করছে।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.