ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাকেরগঞ্জে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৫ জন যাত্রী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নিকটবর্তী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি বাস ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ৩৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
উদ্ধারকৃত সকল আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোরে যাতায়াতকারী দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার এবং যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ‘ইসলাম পরিবহন’ নামের একটি বাস ভোরে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে
দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ৩৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
উদ্ধারকৃত সকল আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোরে যাতায়াতকারী দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার এবং যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।




