পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১০ নং হলতা গুলিশাখালী ইউনিয়নপরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড উত্তর হলতা গ্রামের ফিরোজ আকনের স্ত্রী পারভীন বেগমকে (২৮) মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে গত ২২ মার্চ ওই নারী বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন-মোঃ আব্দুল মালেক আকন,মোঃ মুছা আকন,শুক্কুর আকন সহ আরও ৩ জন।আসামি আব্দুল মালেক জামিনে থাকলেও ঘটনার পর থেকেই মুছা ও শুক্কুর আকন পলাতক রয়েছে। আসামিরা ওই নারীর দুই হাত পা ও চুল ধরিয়া
জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পারভীন বেগমের স্বামী ফিরোজ গংদের সাথে পাড়া প্রতিবেশী মালেক আকন গংদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। আর এ বিরোধের জের ধরে গত ১১ মার্চ দুপুর পৌনে ২টার দিকে আসামিরা লাঠিসোটা ও রড নিয়া হামলা চালায়। এতে পারভীন বেগম ছেচা থেতলানো ফুলা জখম হয়।নাকের ওপর লাথি দেওয়ায় নাকের হাড় ভেঙে যায়।কাপড় চোপড় টানা হেঁচড়া করিয়া শ্লীলতাহানি ঘটায়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ৯০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া সাগরিকা কানবেলা নিয়ে যায়।ইজিবাইক ক্রয়ের জন্য রাখা ২ লাখ ১১ হাজার টাকা,এক লাখ টাকার ১টি স্বর্গর চেইন এবং ৫০ হাজার টাকার একটি স্বর্নের আংটি এবং একটি বেদশী চার্জার লাইট নিয়ে যায়।সাক্ষীরা এবং স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হৃদয় চাকলাদার জানান,আসামি মালেক জামিনে থাকলেও মুছা ও শুক্কুর আকন পলাতক রয়েছে। মেডিকেল অনুযায়ী খুব শীঘ্রই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র প্রেরন করা হবে।




