মাতৃত্বকাীন ভাতার টাকা যাচ্ছে ইউপি সদস্যের বিকাশে

সংবাদের গুরুত্বপূর্ণ লাইন:ফরিদপুর সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নান্নু মোল্যার বিকাশ নম্বরে এক নারীর মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আসার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।ইউনিয়ন পরিষদে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি দাবি করেন, আবেদনের সময় কারিগরি ত্রুটিতে তাঁর নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে সব টাকা উপকারভোগীকে ফেরত দিয়ে তাঁর হিসাব নম্বর সংশোধন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. নান্নু মোল্যা বলেন, উপকারভোগী রুপা বেগম তাঁর নিকটাত্মীয়। তিনি একই ওয়ার্ডের কাচারদিয়া গ্রামের আসলাম শেখের স্ত্রী।
মো. নান্নু মোল্যা জানান, রুপা বেগম মাতৃত্বকালীন ভাতার কথা বললে তিনি তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ওমর ফারুকের কাছে পাঠান। আবেদনের সময় কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় তাঁর (নান্নু মোল্যার) নম্বর দিয়ে আবেদন করা হয়।
মো. নান্নু মোল্যা বলেন, ‘মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য প্রতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করা হয়। ওই মাসের আবেদনের শেষ সময়ে আবেদনটি করার সময় রুপার ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে বারবার লেখা আসে, এই হিসাব দিয়ে আগে আবেদন করা হয়েছে। তখন আমি উদ্যোক্তাকে অনুরোধ করি, যেভাবেই হোক এটি করে দিতে হবে। পরে রুপার বিকাশ নম্বর না থাকায় আমার নম্বর দিয়ে আবেদন করা হয় এবং আবেদনটি সফল হয়। সেটি আমিও জানতাম না।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় ব্রহ্মপুত্র-ধরলায় অভিযান, জব্দ কারেন্ট জাল কুড়িগ্রামে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগ

ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার সুরক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র