সাহস, মেধা এবং মানবিকতার এক অনন্য নাম বীথিকা বিনতে হোসাইন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজপথ থেকে উঠে আসা এই লড়াকু নেত্রীকে ঘিরে এখন নতুন স্বপ্নে বিভোর লক্ষ্মীপুর জেলার সর্বস্তরের মানুষ। আর্তমানবতার সেবা এবং তৃণমূলের উন্নয়নে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তথা মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি তুলেছেন রামগতি ও কমলনগরের আপামর জনতা।
ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় পর্যায়: এক বর্ণাঢ্য পথচলা
বীথিকা বিনতে হোসাইন কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, বরং তিনি সময়ের এক সাহসী কণ্ঠস্বর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী হিসেবে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমেই তাঁর নেতৃত্বের হাতেখড়ি। সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি পদমর্যাদার সদস্য হিসেবে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে তিনি সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত তাঁকে দেশব্যাপী এক পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মানবিকতায় অনন্য ‘অর্পণ আলোক সংঘ’
রাজনীতির পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বীথিকা বিনতে হোসাইন স্থাপন করেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ‘অর্পণ আলোক সংঘ’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি রামগতি ও কমলনগরসহ সারাদেশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের শেষ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছেন।
অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা’সেবা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি জয় করেছেন হাজারো মানুষের হৃদয়।
নারীর ক্ষমতায়ন ও বৌদ্ধিক নেতৃত্ব, নারীর অধিকার আদায়ে বীথিকা বিনতে হোসাইন একজন সোচ্চার কণ্ঠস্বর। তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সচেতন করা এবং তাঁদের স্বনির্ভর করে তুলতে তিনি অসংখ্য কর্মশালা ও সেমিনার পরিচালনা করেছেন। এছাড়া সময়-সাময়িক রাজনীতি ও সামাজিক ইস্যুতে টেলিভিশন টক শো-তে তাঁর গঠনমূলক ও তথ্যবহুল আলোচনা দর্শক মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। একজন দক্ষ উপস্থাপক হিসেবেও তাঁর রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
ব্যক্তিগত জীবন ও আদর্শ
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি প্রয়াত জননেতা শফিউল বারী বাবুর সুযোগ্য সহধর্মিনী। দুই সন্তান—তুবী ও রইদ-এর দায়িত্বশীল মা হিসেবে তিনি যেমন মমতাময়ী, তেমনি রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও তিনি সমানভাবে নিষ্ঠাবান। স্বামীর আদর্শকে ধারণ করে তিনি লক্ষ্মীপুরবাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
তৃণমূলের প্রত্যাশা: লক্ষ্মীপুর জেলাবাসীর মতে—শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা এবং গ্রামীণ অবকাঠামোর ইতিবাচক পরিবর্তনে বীথিকা বিনতে হোসাইনের মতো একজন মেধাবী ও মানবিক নেত্রীর রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বড় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তাঁর মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে তাঁকে মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত করার মাধ্যমেই লক্ষ্মীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাঁর উপস্থিতি কেবল লক্ষ্মীপুর নয়, বরং সারাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।




