![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১২:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৩০, ২০২৬, ৭:০৩ এ.এম
লিবিয়া থেকে গ্রীস যাওয়ার পথে ২২ বাংলাদেশী র মৃত্যু, হবিগঞ্জের দই ভায়রা ভাই নিহত
অবৈধ পথে ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন অভিবাসন প্রত্যাশী। শুক্রবার (২৭ মার্চ) গ্রিস উপকূলের কাছ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় হবিগঞ্জের লাখাই ও সদর উপজেলার দুই আপন ভায়রা ভাই মারা গেছেন বলে এলাকায় প্রবল গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
নিখোঁজ ও মৃত বলে আশঙ্কা করা দুই ব্যক্তি হলেন লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের জাহির মিয়ার ছেলে জুনাইদ (৩৬)।
আরেকজন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সানাবই গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে লুৎফুর রহমান (৩৮)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন জুনাইদ ও লুৎফুর। তাঁরা সদর উপজেলার রিচি গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে দালাল শেখ সালামিনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধ পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
নৌকাডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সাথে আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দালাল শেখ সালামিনের সাথেও কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। সে বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, দুই স্বজনের মৃত্যুর গুঞ্জন বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের মাতম শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন। লুৎফুর ও জুনাইদের পরিবারের দাবি, দালালের খপ্পরে পড়েই আজ তাঁদের এই পরিণতি। তাঁরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন যেন অতি দ্রুত নিখোঁজদের সঠিক তথ্য জানানো হয় এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই মরণখেলায় প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.