তিন বছরের কন্যাশিশুর সামনে এক মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় শিশুটি চিৎকার দেওয়ায় ধর্ষণে অভিযুক্তদের আঘাতে তার চোখের নিচে ক্ষত হয়েছে। গত রবিবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের কান্দিউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পাশের গাতিউড়া গ্রামে এক পরিবারে আশ্রয় পাওয়া ওই মাকে গতকাল শনিবার দুপুরে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। গুরুতর অসুস্থ মা ও শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে গতকাল গাতিউড়ায় গেলে নির্যাতনের শিকার মাকে পাওয়া যায়। তিনি জানান, গত রবিবার বিকেলে তিনি ময়মনসিংহের একটি এলাকার বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি ভালুকা যাওয়ার জন্য কন্যাশিশুকে সঙ্গে নিয়ে রওনা হন। সন্ধ্যার পর তিনি পথ হারিয়ে ফেললে কয়েকজন লোক তাঁকে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে নান্দাইল চৌরাস্তা থেকে তাড়াইল সড়ক দিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। সেখানেই একটি বিলের কাছে নিয়ে চারজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে আরো দুজন পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ঘটনা
ময়মনসিংহের নান্দাইল পাঁচ দিন পর উদ্ধার করল পুলিশ
জানার পর এ প্রতিনিধি ঘটনাস্থল থেকেই ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে ঘটনা অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক নান্দাইল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, তিনি নির্যাতনের শিকার নারীর কথা ছাড়াও সাক্ষীদের কথা শুনে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ওই নারীকে আশ্রয় দেওয়া মতি মিয়ার কাছে ঘটনা জানতে চাইলে এলাকার অনেকেই কথা বলে। গাতিপাড়া গ্রামের সুজন মিয়া নামের এক ইজি বাইকচালক জানান, গত রবিবার রাতে তিনি পাশেই নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী বাজারে ইজি বাইক চালাচ্ছিলেন। ওই সময় গভীর রাতে শিশু কোলে এক নারীকে কাঁদতে দেখে কাছে গিয়ে জানতে চাইলে তিনি তাঁকে জানান, তাঁকে (নারী) চারজন একটি বিলের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে অন্য দুজন একটি বাড়িতে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন।




