শেরপুরে আকস্মিক ভারী শিলাবৃষ্টি: টিনের চাল ছিদ্র, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা 
শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলায় আজ হঠাৎ করেই ধেয়ে আসা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী শিলাবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ঝড়ের চেয়ে শিলাবৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরবাড়ি এবং কৃষি খাতের ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।
আহত ঘরবাড়ি ও জনপদসন্ধ্যার পর থেকে শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে বড় আকারের শিলা পড়তে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শিলার আঘাতে অনেক পুরনো ও পাতলা টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে। এতে অনেক দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার বিপাকে পড়েছেন; ঘরের ভেতর পানি ঢুকে আসবাবপত্র ভিজে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কৃষিতে বড় আঘাতসবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলার কৃষকরা। মাঠের বর্তমান ফসলের ওপর এই শিলাবৃষ্টি এক প্রকার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বোরো ধান: বর্তমানে ধানের শীষ বের হওয়ার সময়। শিলার আঘাতে ধানের থোড় ও কচি শীষ ভেঙে যাওয়ায় ফলন মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শাকসবজি: করলা, ঝিঙা, পটলসহ মৌসুমি শাকসবজির মাচা শিলার ভারে ও আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। কচি সবজি পচে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন চাষিরা।
মৌসুমি ফল: আম, লিচু ও কাঁঠালের মুকুল বা কচি গুটি এই মুহূর্তে গাছের ডালে বড় হচ্ছিল। শিলার আঘাতে এসব ফলের গুটি ঝরে পড়ায় বাগানিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যএক কৃষক জানান, “এমন বড় শিলা গত কয়েক বছরে দেখিনি। আমাগো সবজি ক্ষেত এক্কেবারে শ্যাষ হয়া গেল। টিনের চালের যে অবস্থা, এহন মেরামত করার টেহাও হাতে নাই




