মঙ্গলবার,৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের অগ্রগতি মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল ফিতরের সময় শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল মাঠটির সার্বিক উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এর ধারাবাহিকতায় সরকার প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে।

প্রকল্পের আওতায় ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট করে ভূমি উঁচু করা, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং চারপাশে সুরক্ষামূলক স্লোপ নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে পুরো মাঠ ঘিরে দৃষ্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর ও নতুন প্রবেশদ্বার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আগত লাখো মুসল্লির অজুর সুবিধার্থে ঈদগাহ সংলগ্ন পুকুরের তিন পাশে ঘাটলা নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় সংলগ্ন মসজিদকে তিনতলা ভবনে উন্নীত করার পাশাপাশি আধুনিক ওজুখানা, ওয়াশরুম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধাও নির্মাণ করা হবে।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ বলেন, ‘আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই মাঠ ভরাট, সীমানা প্রাচীর এবং পুকুরের ঘাটলা নির্মাণের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রকল্পের অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কিশোরগঞ্জ সফরকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠকে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দনভাবে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ঐতিহাসিক মর্যাদা আরও সমুন্নত হবে। পাশাপাশি ঈদের জামাতে অংশ নিতে আসা লাখো মুসল্লির জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

uttam Chakrabarty

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জবিতে ‘পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা’ সৃষ্টি করছে ছাত্রশিবির অভিযোগ ছাত্রদলের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানকে ভণ্ডুল