টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা একটি পৌরসভা ও দশটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। দশটি ইউনিয়নে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় আওয়ামী ঘরোনার নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ (চেয়ারম্যান) ছিলেন। এখনো আছেন। উচ্চ আদালতের রায়ে বহেড়াতৈল, কাকরাজান, বহুরিয়া ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। অথচ গজারিয়া, কালিয়া, বড়চওনা, যাদবপুর, হাতীবান্ধা, হতেয়া রাজাবাড়ী, দারিয়াপুর ইউনিয়নে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থাকা চেয়ারম্যানগণ বহাল তবিয়তে রয়েছে। একই উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নের ক্ষেত্রে দ্বৈত নীতি ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। এই দ্বৈত নীতির কারণে উন্নয়নের ধারাও ব্যাহত হচ্ছে বলে বিজ্ঞ মহলের ধারণা। গজারিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, কালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ জামাল হোসেন, বড়চওনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আজহারুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ কে এম আতিকুর রহমান আতোয়ার স্থানীয় আওয়ামী সংসদ সদস্য প্রয়াত এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের সহোদর ছোট ভাই, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান খান রবিন, হতেয়া রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন খান আওয়ামী লীগ নেতা, দারিয়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনসার আলী আসিফ। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ে তিনটি ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, অন্যান্য ইউনিয়নেও একই রায় আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




