![Logo]()
প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ৯:০৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ১১:২২ এ.এম
সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ; জিম্মি থাকা জেলে ও অস্ত্র উদ্ধার
সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত ‘দাদা ভাই বাহিনী'র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতদের কাছে জিম্মি থাকা জেলেদের জীবিত উদ্ধার ও অস্ত্র জব্দ।
মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত ‘দাদা ভাই বাহিনী' সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানাধীন সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় কয়েকজন জেলেকে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে জিম্মি করে রেখেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ ২৭ অক্টোবর ২০২৬ মধ্যরাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী কর্তৃক উক্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল অতর্কিতভাবে কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে এক পর্যায়ে ডাকাতদল জিম্মিদের রেখে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে উক্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১ টি একনলা বন্দুক, ৬ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৩ টি দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ ডাকাতদলের কাছে জিম্মি থাকা পাঁচজন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জেলে রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) সাতক্ষীরার শ্যামনগর এবং আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮) খুলনার কয়রা থানার বাসিন্দা।
জব্দকৃত অস্ত্র ও ফাঁকা কার্তুজ এর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
Copyright © 2026 Ajker Khobur. All rights reserved.