নগদ ৩.৬৫ লাখ টাকা, একাধিক মোবাইল, কথিত জাল থাই ভিসা উদ্ধার; ভুয়া বিকাশ সিমে ১১ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য, তদন্তে নতুন চাঞ্চল্য
মেহেরপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মেহেরপুর থানা পুলিশ। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মেহেরপুরে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোররাতে তারাগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর আলমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শেরমস্ত পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. আব্দুল সালামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে তার বাড়ি থেকে নগদ ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ৪টি স্মার্টফোন, ৪টি বাটন ফোন, কথিত জাল থাইল্যান্ড (থাই) ভিসা, লোন ও লটারি-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা আলামতগুলো তদন্তের স্বার্থে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, উদ্ধার হওয়া ভুয়া বিকাশ সিম ব্যবহার করে প্রায় ১১ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোতে বিভিন্ন অনলাইন ক্যাসিনো ওয়েবসাইটের অ্যাকাউন্ট, বিদেশি নম্বরে ব্যবহৃত ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ এবং প্রতারণা-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্য-উপাত্তের সন্ধান মিলেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় একই গ্রামের এক নারীসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে। তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযানের সময় আব্দুল সালামের ছোট ভাই সিয়াম এবং বাবা মোজাহারুলকেও আটক করা হয়। পরে তিনজনকেই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মেহেরপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, এর আগে এক ভুক্তভোগীর প্রায় ৮ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে মেহেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই রংপুরের তারাগঞ্জে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। উদ্ধার হওয়া আলামত, ডিজিটাল



