মঠবাড়িয়া উপজেলা-এর কেন্দ্রীয় মন্দিরের পেছনে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাল বর্তমানে অবৈধ দখল ও মারাত্মক দূষণের কবলে পড়ে প্রায় মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। একসময় এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত এই খালটি এখন ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালটির দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা। পাশাপাশি প্রতিদিন গৃহস্থালির বর্জ্য, প্লাস্টিক ও নানা ধরনের আবর্জনা ফেলার কারণে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন রোগব্যাধির ঝুঁকিও বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আগে এই খাল দিয়ে সহজেই পানি বের হয়ে যেত। এখন খালটি ময়লায় ভরে গেছে, পানি চলাচল বন্ধ। সামান্য বৃষ্টিতেই আমাদের বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে।”
সচেতন মহল দ্রুত খালটি দখলমুক্ত করে পুনরুদ্ধার, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপই পারে এই খালকে পুনরুজ্জীবিত করে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করতে।
বর্তমানে খালটি প্রতিনিয়ত আরও দখল ও দূষণের শিকার হচ্ছে, অথচ কার্যকর উদ্যোগের অভাবে পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে—যা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।




