পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলা রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে আলোচিত নাম সাবেক ছাত্রনেতা ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাসেল শিকদার। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন তিনি। নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের আগামী কমিটিতে তাকে সাধারণ সম্পাদক অথবা সদস্য সচিব হিসেবে দেখতে চান হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে পথচলা শুরু করেন রাসেল শিকদার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি ছিলেন মাঠকেন্দ্রিক ও সক্রিয় একজন নেতা।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে যখন অনেকেই মাঠ ছেড়ে দূরে সরে গিয়েছিলেন, তখনও রাসেল শিকদার রাজপথে থেকে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণের পাশাপাশি কর্মীদের সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়ে সংগঠনকে সচল রাখেন তিনি। বিশেষ করে তরুণ ও মেধাবী ছাত্রনেতাদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন তারা।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য মতে, রাসেল শিকদার শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও। রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তৃণমূলের দাবি, বিগত সময়ে নানা রাজনৈতিক চাপ, হামলা-মামলা ও হয়রানির শিকার হলেও তিনি কখনো দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং প্রতিটি পরিস্থিতিতে সাহসিকতার সঙ্গে সংগঠনের পক্ষে কাজ করে গেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন মাঠ পর্যায়ে রাজনীতি করার অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক থাকায় রাসেল শিকদার বর্তমানে নাজিরপুরের তরুণ নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তার নেতৃত্বে যুবদল আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন অনেকে।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, “যুবদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট পরিচালনার জন্য একজন ত্যাগী, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতার প্রয়োজন। রাসেল শিকদার সেই যোগ্যতা রাখেন। তিনি সবসময় মাঠে থেকে সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন। তাই আমরা তাকে নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কিংবা সদস্য সচিব হিসেবে দেখতে চাই।”
তারা আরও বলেন, “রাসেল শিকদার হাজার হাজার কর্মী গড়ার কারিগর। তার নেতৃত্বে সংগঠন নতুন গতি পাবে এবং তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ হবে।”
এদিকে, রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা রয়েছে যে, আগামী দিনে নাজিরপুর উপজেলা যুবদলের নেতৃত্ব নির্ধারণে তৃণমূলের মতামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর সেই বিবেচনায় রাসেল শিকদারের নাম এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে নেতাকর্মীদের মুখে মুখে।



