ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আসাদুল ইসলাম (২৮) যেন একটু ভিন্ন গড়নের মানুষ। বাবা মোঃ ফজর আলীর ছেলে আসাদুলের দৈহিক গঠন ও খাদ্যাভ্যাস এলাকাজুড়ে বেশ আলোচনার বিষয়। তিনি জানান, সাধারণভাবে এক বেলায় প্রায় ৫০০ গ্রাম চালের ভাত খেয়ে থাকেন, তবে ইচ্ছে করলে এক কেজি চালের ভাতও খেতে পারেন।তার শারীরিক গঠনের কারণে পোশাক তৈরিতেও বাড়তি খরচ গুনতে হয়। একটি শার্ট বানাতে একসাথে বেশি কাপড় কিনতে হয়, একইভাবে প্যান্ট তৈরির সময়ও প্রয়োজন হয় দুই পিস কাপড়।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক। বড় সন্তানের বয়স আট বছর এবং ছোট সন্তানের বয়স দুই বছর। কথোপকথনের একপর্যায়ে কিছুটা আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো জুতো। সাধারণ বাজারে আমার পায়ের মাপের জুতো পাওয়া যায় না।তিনি জানান, ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে বিশেষভাবে চার থেকে পাঁচ জোড়া জুতো তৈরি করিয়ে আনতে হয়। চামড়ার জুতো কিনতে খরচ পড়ে প্রায় আড়াই হাজার টাকা, আর বার্মিজ জুতো কিনলেও সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ব্যয় হয়।জীবিকার তাগিদে আসাদুল ইসলাম ইঞ্জিনচালিত ট্রলি চালিয়ে সংসার চালান। স্থানীয়ভাবে এটি পাওয়ার টিলার নামে বেশি পরিচিত। কঠোর পরিশ্রম করেই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তার জীবনসংগ্রাম এগিয়ে চলছে।




