এদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে দেশ জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ দু-তিনজন রয়েছেন। তবে আলোচনার শীর্ষে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুড মার্কে রয়েছেন মেজর অবঃ হাফিজ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে, কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? নেটিজেনরা তাদের পছন্দের ব্যক্তির নাম বলছেন। অনেকেই বিভিন্ন ধরনের যৌক্তিকতা তুলে ধরছেন। তবে বিএনপির হাইকমান্ড সূত্রে জানা যায় সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও দূরদর্শিতা, একাধিকবার সংসদ সদস্য হওয়ার অভিজ্ঞতা, দল ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম ব্যক্তি মেজর অবঃ হাফিজই হতে পারেন পরবর্তী স্থায়ী রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ আলংকারিক ও মর্যাদাপূর্ণ পদ ‘রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে মেজর অবঃ হাফিজের নাম আসাটা সর্বমহলেই প্রত্যাশিত।
এর পেছনে মূলত তার রাজনৈতিক ত্যাগ, পরিচ্ছন্ন ইমেজ, সততা,দেশপ্রেম, ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা। বিএনপির হাইকমান্ডের গোপন সূত্রে জানা যায়, বিএনপিতে বিশ্বস্ততা ও দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে মেজর অবঃ হাফিজ অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বিগত আ.লীগ সরকার তাকে বিএনপির ব্যানাড়ে দল তৈরি করে নির্বাচনে আসার লোভনীয় অফার করলেও তিনি তা সাদরে প্রত্যাখান করেছেন। যে কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেজর অবঃ হাফিজকে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন। আগামি চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তও্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এ লক্ষ্যে সংবিধান সংস্কারের কাজ চলছে। তও্বাবধায়ক সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠে ফেরার চেষ্টা করবে। তখন আ.লীগের আন্দোলন,সংগ্রাম নাশকতা রাষ্ট্রবিরোধী যে কোন কর্মকান্ড প্রতিহত করতে সামরিক বাহিনীর সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। মেজর অবঃ হাফিজ সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা হওয়ায় তিনি এ ক্ষেত্রে দূরদর্শী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তা-ই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন মেজর হাফিজ।
মেজর অবঃ হাফিজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন ‘সাদামাটা ও সজ্জন’ স্পষ্টবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে সমধিক পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আজ পর্যন্ত মেলেনি। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক বিতর্কে শালীনতা বজায় রাখা এবং মার্জিত আচরণের জন্য তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কাছেও সমানভাবে শ্রদ্ধেয়। এসব কারণে স্থায়ী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মেজর অবঃ হাফিজ।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ একজন সফল ক্রীড়াবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ—এই চারটি পরিচয়ের সমন্বয়ে বাংলাদেশের জনজীবনে একটি অনন্য স্থান অধিকার করেছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতীয় নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র নিয়ে বিভিন্ন সময়ে লেখালেখি ও বক্তৃতা দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশপ্রেম এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে দেশের অন্যতম সম্মানিত জননেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
স্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদ মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমকই প্রাপ্য। এই দেশ তার কাছে ঋণী। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করা মেজর অবঃ হাফিজ রণাঙ্গনে আহত হয়েছিলেন। এই সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামল প্রাকৃতিক স্বাধীন সুন্দর দেশটা তিনি আমাদের উপহার দিয়েছেন।মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একান্ত সচিব ছিলেন। শহীদ জিয়া মেজর হাফিজের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তার অধীনেই যুদ্ধ করা মেজর অবঃ হাফিজ প্রেসিডেন্ট পদ পাওয়ার দাবি রাখে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবেন না। রণাঙ্গনে আহত হওয়া এই বীরবিক্রমকে তিনি প্রেসিডেন্ট করবেন। আপনারা সকলে নামাজ পড়ে দোয়া করবেন যেন মহান আল্লাহ আমাদের প্রার্থনা কবুল করেন।




