খাগড়াছড়িতে পর্যটন আকর্ষণে জায়ান্ট সুইং ও জিপ লাইন উদ্বোধন

পর্যটননির্ভর খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের বিনোদন ও অ্যাডভেঞ্চার অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে চালু করা হয়েছে নতুন দুটি আকর্ষণীয় রাইড—জায়ান্ট সুইং ও জিপ লাইন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অ্যাডভেঞ্চার রাইডের উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি।

উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বেলুন উড়িয়ে নতুন পর্যটন আকর্ষণের উদ্বোধন করা হয়।

জায়ান্ট সুইং ও জিপ লাইন চালুর ফলে খাগড়াছড়ির পর্যটন খাতে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে তরুণ পর্যটকদের জন্য এসব অ্যাডভেঞ্চার রাইড বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য খাগড়াছড়ি দীর্ঘদিন ধরেই পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। পাহাড়, ঝরনা, সবুজ প্রকৃতি ও বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি নতুন নতুন বিনোদন ও অ্যাডভেঞ্চার সুবিধা যুক্ত হলে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। খাগড়াছড়িতে জিপ লাইন, কায়াকিং, ক্যাম্পিং ও জায়ান্ট সুইংসহ বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রম পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি বলেন, খাগড়াছড়ির পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পর্যটকদের জন্য আরও আধুনিক ও নিরাপদ বিনোদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নতুন এসব আয়োজন জেলার পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জায়ান্ট সুইং ও জিপ লাইন চালুর মাধ্যমে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের অবস্থানকাল বাড়বে এবং পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

লালমনিরহাটে মানবিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার অঙ্গীকার: নতুন কমিটির মমিনুল, লায়লা ও রোজি

​বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, লালমনিরহাট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৫–২০২৭)-এর নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নবনির্বাচিত এ কমিটিতে চেয়ারম্যান পদে এ কে এম মমিনুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান পদে লায়লা হাবিব এবং সেক্রেটারি পদে অ্যাডভোকেট জিন্নাত ফেরদৌস আরা রোজি নির্বাচিত হয়েছেন।   ​এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেছেন-আফজাল হোসেন, মজমুল হোসেন প্রামানিক, আবুল বাশার, আজিজুল ইসলাম ইউলাদ, হ.শ.ম জয়নুল আবেদীন স্বপন, রোকনুজ্জামান রোকন, এবি.এম ফেরদৌস এবং সাহেদুল ইসলাম পাটোয়ারী।   ​দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে এম মমিনুল হক বলেন, “রেড ক্রিসেন্ট একটি আন্তর্জাতিক মানবিক প্রতিষ্ঠান। লালমনিরহাটের প্রান্তিক, দুস্থ ও অসহায় মানুষের প্রতিটি সংকটে পাশে দাঁড়ানোই হবে আমাদের নতুন কমিটির প্রধান অগ্রাধিকার। আমরা আগামী দিনগুলোতে জেলার দুর্যোগকালীন জরুরি সহায়তা জোরদার করা, বিনামূল্যে রক্তদান কর্মসূচি বিস্তৃত করা এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করব। তরুণ ও যুবদের স্বেচ্ছাসেবী কাজে উৎসাহিত করে লালমনিরহাটে রেড ক্রিসেন্টের প্রতিটি কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল ও গণমুখী করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”   ​সংগঠনকে সুসংগঠিত ও নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রত্যয় ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান লায়লা হাবিব বলেন, “রেড ক্রিসেন্টের সেবা কার্যক্রমকে প্রতিটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দ্বারে পৌঁছে দিতে আমরা দলমত নির্বিশেষে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে যেকোনো দুর্যোগে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে এবং নারী স্বেচ্ছাসেবক তৈরিতে আমাদের বিশেষ দৃষ্টি থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লালমনিরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটকে একটি আদর্শ মানবিক সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”   ​কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত ও কার্যকর করার অঙ্গীকার জানিয়ে নবনির্বাচিত সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিন্নাত ফেরদৌস আরা রোজি বলেন, “আমাদের মূল শক্তি হলো তরুণ ও যুব স্বেচ্ছাসেবীরা। প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টির মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মানবসেবায় যুক্ত করা হবে। শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রতিটি মানবিক প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব। যেকোনো সংকটে লালমনিরহাটের মানুষের বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল হিসেবে রেড ক্রিসেন্ট কাজ করে যাবে।”