
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) কুয়াকাটা পৌরসভা, মহিপুর, আলীপু, আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে স্থানীয় হাট-বাজার ও বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
স্থানীয়দের মতে, কৃষি, মৎস্য ও পর্যটননির্ভর কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী বর্তমানে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক অঞ্চল। এ এলাকায় রয়েছে পায়রা সমুদ্রবন্দর, ২ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। পাশাপাশি কুয়াকাটাকে ঘিরে রয়েছে পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর এবিএম মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে এ আসনে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। এ কারণে তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা তাঁদের প্রাণের দাবি।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে তাঁর কঠোর নির্দেশনায় এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কৃষি ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাঁকে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়া হলে বৃহত্তর পরিসরে কাজ করা সম্ভব হবে।
যুবদল নেতা ও উদ্যোক্তা রিয়াজ তালুকদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন। তাঁর নেতৃত্বে এ অঞ্চলে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বেড়েছে। মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে তাঁকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান তাঁরা।
কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে উন্নীত করতে এবং পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।
এদিকে কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন, পর্যটন, মৎস্য, কৃষি ও শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
