দামুড়হুদায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও চাষিদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ

চাষিদের মাছ চাষে উৎসাহিত করা, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং তাঁদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে চাষিদের মধ্যে জি-৩ রুই মাছের পোনা ও মৎস্য চাষের বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এগ্রো-মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের মৎস্য খাতের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। দামুড়হুদা উপজেলার কোষাঘাটা গ্রামে অবস্থিত ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এগ্রোইকোলজি লার্নিং অ্যান্ড ট্যুরিজম সেন্টারের (এএলটিসি) মিলনায়তনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চাষিদের মধ্যে জি-৩ রুই মাছের পোনা, চুন, ঝাঁকি জাল, সারসহ মাছ চাষের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ ও সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো চাষিদের আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ করা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং মাছ চাষের মাধ্যমে তাঁদের আয় ও জীবিকার মানোন্নয়নে সহায়তা করা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাছ চাষ, পুকুরের পানির গুণগত মান বজায় রাখা এবং মাছের যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও চাষিদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। দ্রুত বর্ধনশীল জি-৩ রুই মাছের পোনা চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন বলেও তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় চাষিদের আধুনিক মৎস্য চাষপদ্ধতি অনুসরণ, সঠিক সময়ে পুকুরের পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় মৎস্য চাষ উপকরণের যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এগ্রোইকোলজি লার্নিং অ্যান্ড ট্যুরিজম সেন্টারের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ, মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদ-উর-রহমান, ইঞ্জিনিয়ার খালিদ হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
চাষিদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক মৎস্য চাষ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ পর্যায়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই জীবিকা উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন