
৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৯ নং ওয়ার্ড মদনগঞ্জ উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড বালিয়াগাঁও এলাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করছিলেন বদু ওস্তাগারের (রাজমিস্ত্রী) ছেলে মো. সুজন ওস্তাগার (৩২) পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহে তার টিন সেট ঘরের কাঠের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ৪ নভেম্বর দিবাগত রাতের কোন একসময় আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুজন ওস্তাগারের স্ত্রী সালমা আক্তার সৌদি আরব প্রবাসে থাকেন। সুজন রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রায়ই আমরা শুনতাম মোবাইলে তাদের সাথে ঝগড়া হতো তবে মনে হয় বিশ্বাস অবিশ্বাসে এ ঘটনা ঘটতে পারে। সকালে তার বড় মেয়ে ঘুম থেকে উঠে বাবার এ অবস্থা দেখে প্রতিবেশীদের খবর দিলে তাহারা এসে দেখেন সুজন ঘরের আড়ার সাথে ওরনা পেঁচিয়ে ঝুঁলে রয়েছে। এরপর দ্রুত এঘটনা স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির চার্জ নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে কী কারণে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে।
আত্মহণকারী সুজনের ২ মেয়ে ১ ছেলে। বড় মেয়ের বয়স ১০ বছর, ছোট মেয়ের বয়স ৪ বছর এবং একমাত্র ছেলের বয়স ২ বছর বলে জানা যায়।
