রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার নবুওছিমদ্দিন পাড়ায় কৃষি তরুণ উদ্যোক্তা জাছমা ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সার সেন্টার ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ কন্দ উৎপাদন কর্মসূচির প্রজেক্ট পরিদর্শন করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম।
শনিবার ১৪ মার্চ দুপুরে নবুওছিমদ্দিন পাড়ায় পায়ে হেঁটে ভার্মি কম্পোস্ট সার সেন্টার ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ কন্দ উৎপাদন কর্মসূচির প্রজেক্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের এপিসি উইং,পিপিবি অধি শাখার যুগ্ন সচিব কামরুল হাসান, ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মাতে খয়ের উদ্দিন মোল্লা,রাজবাড়ীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ চর এলাকা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস ও জাসমা বেগম প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন,, গোয়ালন্দ উপজেলার যে ফসলের মাঠ যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি সেখানে দেখা যাচ্ছে পেঁয়াজ, ভুট্টা, মরিচও আছে। আপনারা জানেন আমাদের পেঁয়াজ পলিটিক্যাল ক্রপ। এই পেঁয়াজ আমদানি বিষয়ে অনেক কথা আছে। আমরা এবছর ৮৪ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করেছি মাত্র। তার আগের অর্থবছরে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করেছি অর্থাৎ ২৪ -২৫ অর্থ বছরে ৬ লক্ষ মেট্রিক টন আমদানি করতে হয়েছিল পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে। মুড়ি কাটা পেঁয়াজ ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ রাজবাড়ী, গোয়ালন্দ, পাবনা, ফরিদপুর ৭৮ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। যাতে করে বীজে সংকট না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা পরবর্তী বছর বীজ উৎপাদন থেকে বাল্ব তৈরি হবে। যে বাল্ব আমাদের তরুণ উদ্যোগতা জাছমা বেগম নেতৃত্বে বীজ উৎপাদন করার পাশাপাশি কেঁচো ও গোবর দিয়ে ভার্মি কম্পোজ সার উৎপাদন করে সারের চাহিদা মিটাচ্ছে তরুণ উদ্যোক্তা জাছমা বেগম।




