হাত বাড়ালেই মাদক: বাউফলে ভয়ংকর পরিস্থিতি, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে মাদক সমস্যা। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক—এ যেন মাদকেরই এক স্বর্গরাজ্য। সময় ও স্থানভেদে একই মাদকের ভিন্ন ভিন্ন দাম থাকলেও সহজলভ্যতার কারণে এতে জড়িয়ে পড়ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন শুধু মাদকসেবীরাই নয়, কৌতূহলবশত অনেক শিক্ষার্থীও মাদকের দিকে ঝুঁকছে। একজন অভিভাবক জানান, “একজন স্কুল ছাত্র হোক বা নিয়মিত মাদকসেবী—ফোনে অর্ডার দিলেই বাসায় পৌঁছে যায় মাদক। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।”

অপর এক স্থায়ী বাসিন্দা অভিযোগ করেন, “মাদককারবারীদের পেছনে প্রভাবশালী রাঘব বোয়ালদের হাত রয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের কিছু নেতা এবং প্রশাসনের একাংশও এতে জড়িত। মাদকের টাকা থেকে তারা ভাগ পায় বলেও শোনা যায়।”

এদিকে, বাউফল এলাকার সংসদীয় আসনে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার নির্বাচনী ইশতেহারে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রতিশ্রুতি দিলেও, নির্বাচনের প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা কঠোর নজরদারি চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা কামনা করেছেন।

মাদকের এই ভয়াবহ বিস্তার রোধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে—এমন আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

 

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হয়েছেন, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেয়েছেন ঝালকাঠির