জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার নীলক্ষিয়া চৌরাস্তা মোড়ের এই ছবিটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি মারাত্মক হুমকির চিত্র তুলে ধরছে।
গত ৬ মার্চ (সোমবার) বকশিগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের চৌরাস্তা মোড়ে,খোলা বাজারে মাংসের দোকানে এই দৃশ্যটি দেখা যায়। বিক্রেতা দোকানে নেই,অনেকগুলো কাক একত্রে ঝুলানো মাংস ঠুকরে ঠুকরে খাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে দোকানদারের অবহেলা আর উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই দৃশ্যে
ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মাংসের দোকানে জনসম্মুখে এবং সম্পূর্ণ উন্মুক্ত অবস্থায় মাংস ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, একঝাঁক কাক সেই মাংসের ওপর বসে আছে এবং ঠোকরাচ্ছে। আশেপাশে ধুলোবালি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
এতে করে ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ঝুকির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ: পাখিরা (যেমন কাক) বিভিন্ন বর্জ্য থেকে রোগজীবাণু বহন করে। মাংস ঠোকরানোর মাধ্যমে তারা সালমোনেলা বা ই-কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। 

তাছাড়া খোলা মেলা থাকায়
রাস্তার ধারের ধুলোবালিতে থাকা সিসা ও অন্যান্য ভারী ধাতু মাংসে মিশে যেতে পারে। 

এই মাংস যথাযথভাবে পরিষ্কার বা রান্না না করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডায়রিয়া, আমাশয় বা টাইফয়েডের মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
১. প্রশাসনের ভূমিকা:
এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রি বন্ধে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর) করণীয় কী হওয়া উচিত?
২. ক্রেতার সচেতনতা:
সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদের এই ধরণের দোকান থেকে কেনাকাটা করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার?
৩. আদর্শ মাংসের দোকান:
একটি স্বাস্থ্যসম্মত মাংসের দোকান কেমন হওয়া উচিত (যেমন নেট ব্যবহার করা বা ফ্রিজে রাখা)?
এসকল বিষয়ে মাংস বিক্রেতাদের নিয়ে নিয়োমিত সেমিনার করে ব্রিফিং সহ ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জুরুরি।




