বীথিকা বিনতে হোসাইন একজন নিবেদিতপ্রাণ জননেত্রী, মানবিক ব্যক্তিত্ব এবং দক্ষ সংগঠক। মরহুম শফিউল বারী বাবুর সহধর্মিনী হিসেবে তার যে আদর্শিক যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা নিজের কর্মগুণে আরও মহিমান্বিত।
একনজরে তার বহুমুখী পরিচয়:
শিক্ষাজীবন ও নেতৃত্ব: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস জীবন থেকেই তুখোড় ছাত্র নেত্রী হিসেবে পরিচিত। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তার সাহসী ও ব্যতিক্রমধর্মী উপস্থাপনা তাকে একজন সম্মুখসারির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা:
সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি পদমর্যাদায় সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মানবিক সংগঠন ‘অর্পণ আলোক সংঘ’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত।
মানবিক কর্মকাণ্ড:
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগরসহ সারা দেশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে তিনি সবসময় আস্থার প্রতীক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষায় তার অবদান প্রশংসনীয়।
সমাজ সংস্কারক:
নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় তিনি নিরলস কাজ করছেন। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি অসংখ্য সেমিনার পরিচালনা করেছেন।
মেধা ও উপস্থাপনা:
সমসাময়িক রাজনীতি ও সামাজিক ইস্যুতে বিভিন্ন টেলিভিশন টক শো-তে তাঁর গঠনমূলক ও তথ্যবহুল আলোচনা অত্যন্ত প্রশংসিত।
উপসংহার:
তুবী ও রইদ-এর দায়িত্বশীল মা হিসেবে একদিকে যেমন তিনি মমতা দিয়ে ঘর আগলে রেখেছেন, অন্যদিকে দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। একজন মানবিক ও সাহসী নেত্রী হিসেবে বীথিকা বিনতে হোসাইন বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম।



