তালতলীতে পিস্তল-গুলিসহ পাঁচজন আটক

বরগুনার তালতলীতে দেশীয় তৈরি একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ পাঁচজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে আসে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম গাবতলী গ্রামের লিমন সিকদারের ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম গাবতলী গ্রামের রিয়াজ কাজী তাঁর বাসা লিমন সিকদারের কাছে ভাড়া দেন। গত রোববার ওই বাসায় কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি গোপনে এসে অবস্থান নেন। গত তিন দিন ধরে তারা ছোটবগী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তাদের চলাফেরা ও কথাবার্তা স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক মনে হলে বুধবার দুপুরে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা লিমন সিকদারের ভাড়া বাসায় যান।
এ সময় বাসার ভেতরে থাকা জিহাদ খান পিস্তল উঁচিয়ে স্থানীয়দের ধাওয়া করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা আরও লোকজন জড়ো করে তাদের ধাওয়া দিয়ে জিহাদ খান (৩৫), হৃদয় মোল্লা (২৫), অনিক মজুমদার (২৫), লিমন সিকদার (২৮) ও জামাল মল্লিককে (২৭) আটক করেন।
পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লিমন সিকদারের ভাড়া বাসা থেকে একটি দেশীয় পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
আটক জিহাদ খান নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার কাঁঠালতলী গ্রামের আলম খানের ছেলে। হৃদয় মোল্লা ও জামাল মল্লিক বরগুনা সদর উপজেলার আমড়াঝুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। হৃদয় মোল্লা মো. মোকলেচ মোল্লার ছেলে এবং জামাল মল্লিক শাহ আলম মল্লিকের ছেলে। অপরদিকে লিমন সিকদার ও অনিক মজুমদার পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। লিমনের বাবা লিটন সিকদার এবং অনিকের বাবা সঞ্জয় মজুমদার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত তিন দিন ধরে লিমন সিকদারের ভাড়া বাসায় কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি অবস্থান করছিলেন। তারা ছোটবগী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। তাদের কথাবার্তা ও চলাফেরা সন্দেহজনক তালতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় একটি দেশীয় পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন