আনোয়ার হোসেন জানান ২০১৯ সালে তার মায়ের রহস্য জনক মৃত্যু এবং তার উপর ঘটে যাওয়া নানা অন্যায় অত্যাচার, মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন ও দূর্নীতির বিচার চেয়ে প্রথমে বগুড়া জেলার ধুনট থানায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কিন্তু ধুনট থানার ওসি রবিউল ইসলাম তার অভিযোগের কোন পদক্ষেপ নেইনি। মা’ হত্যা বিচার পাওয়ার জন্য আনোয়ার হোসেন আবার জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। তখনকার প্রশাসক হোসনে আফরোজ বিষয়টা আমলে নেয় এবং অভিযোগটা এস.পির মাধ্যমে ধুনট থানায় প্রেরন করেন। থানার ওসি সাইদুল আলম অভিযোগের তদন্তভার এস. আই অমিত কুমার উপর ন্যস্ত করেন। অমিত কুমার তদন্ত করার উদ্যোগ নিলেও চিকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম জুয়েল বিষয়টা দেখছি বলে তদন্ত থেমে রাখেন, অভিযোগ থেমে থাকলেও আনোয়ারের ক্ষতি থেমে নেই। একের পর এক ক্ষতি চলমান থাকে অভিযোগের কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে, ভিক্টিম আনোয়ারের উপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যাই। উল্লেখ্য যে আনোয়ারের ছেলে নেই, দুটি মেয়ে ১। ।হুমায়রা খাতুন (১৫), ২। মার্জিয়া খাতুন (৬)। তাইতো অপরাধীরা এত ক্ষতি করার সাহস পায়। ২০২৩ সালে জানুয়ারি মাসে আনোয়ার তার নিজস্ব জমিতে সার দিতে গেলে (১) মো জাহিদুল ইসলাম, পিতা: মৃত শাজাহান আলী, (২) মো মামুন, পিতা মো মুসলিম গ্রাম : মোহনপুর (৩) মোঃ সাইম, পিতা মো জাহিদুল ইসলাম, (৪) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন, স্বামী মোঃ জাহিদুল ইসলাম আনোয়ারের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে এবং তাকে বেদমভাবে মারপিট করে। আনোয়ারের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে আনোয়ারকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত আনোয়ারকে ভ্যান যোগে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করাই। ২০২৩ সালের আগষ্ট মাসে ভিক্টিম আনোয়ার আবার ঐ জমিতে আবাদ করতে গেলে উপরে উল্লেখিত আসামিসহ আরো কয়েকজনমিলে ভিক্টিমের উপর হামলা করে ভিক্টিম জানের ভয়ে বাড়িতে এসে তার ছোট মেয়ে মার্জিয়াকে কুলে তুলে নেয়। ঘাতক দলের তবুও দয়া হয়নি। মেয়ে কুলে থাকা অবস্থায় ঘাতকরা আবার আনোয়ারকে মারপিট করে। আহত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। থানা থেকে আসা এ. এস. আই সোহেল রানা ঘাতকদের বাধা না দিয়ে উল্টো আনোয়ারকে মারপিট করে। আনোয়ার ৯৯৯ ফোন দিয়ে সাহায্য চায়। হট- লাইন থেকে সাহায্য করার আশ্বাস দিলেও ধুনট থানা থেকে তাকে সহযোগিতা করে নাই। জমি আসল উদ্যেশ্য নয়, উদ্যেশ্য হলো কোন এক অসৎ লোকের প্ররোচনায় তার মনের আক্রোশ মিটানোর জন্যেই উল্লেখিত অপরাধীদের দিয়ে এই সমস্ত অপরাধ বার বার করানো তাকে মেরে ফেলা। ভিক্টিম আনোয়ার এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং প্রতিকার চেয়ে নিউজ ও সংবাদ সম্মেলন করেন। এই বিষাদময় ঘটনাটি “দৈনিক করতোয়া”, “দৈনিক মুক্তসকাল”, “দৈনিক বগুড়া”, “দৈনিক উত্তরকোণ”, “দৈনিক চাঁদনী বাজার “”দৈনিক সাতমাথা” প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু দুর্নীতিবাজ ধুনট উপজলার পুলিশ, প্রশাসনের বোধ হয়নি, তাদের বিবেকে নাড়া দেয়নি। আজ পর্যন্ত একটা অপরাধীকে গ্রেফতার করেনি। অপরাধীরা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় একের পর এক ভিক্টিমের ক্ষতি করতে থাকে। হঠাৎ করে বাড়ি থেকে স্ত্রী উধাও, ভিক্টিমকে চার বছর বাড়ি থেকে দূরে রাখা, বড় মেয়ে হুমায়রা খাতুনকে স্ট্যাম্প বিক্রি, ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুনকে এতিম খানায় ভর্তি খুবি দুঃখ জনক ঘটনা। (১) মাদক সেবি এবং মাদক কারবারি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম পিতা তছের উদ্দিন গ্রাম: হরিনাথপুর, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ, (২) মোছাঃ মমি খাতুন পিতা মৃত মিজানুর রহমান তালুকদার (৩) মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন, পিতা মৃত মিজানুর রহমান তালুকদার (৪) মোছাঃ পারভীন খাতুন, স্বামী: মোঃ মিনু, সকলের গ্রাম: বাকশাপাড়া, ধুনট,বগুড়ামিলে হুমায়রা খাতুনকে স্ট্যাম্পে বিক্রি ও ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুনকে এতিমখানায় ভর্তি করে দেয়। ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুনকে তার বাবা উদ্ধার করতে পারলেও বড় মেয়ে হুমায়রাকে আজো পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারে নাই। আনোয়ার হোসেন ঘৃণিত কাজের জন্য তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি দাবি করছে। এই সব ঘটনার বিচার চেয়ে এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে লেখা অভিযোগের হদিস জানতে আনোয়ার গত ২৪-০২-২০২৬ ইং তারিখে বেলা ২ ঘটিকায় থানায় গেলে ওসি আতিকুল ইসলাম জানান আমার কিছু করার নাই এবং ভিক্টিম যাতে আর কোনোদিন অভিযোগ নিয়ে থানায় না আসে সে জন্যে ভিক্টিম আনোয়ারকে ঘাতক এস. আই ওসমানের হাতে তুলে দিয়ে মারার নির্দেশ দেন, ওসমান উৎসাহ পেয়ে ভিক্টিমকে টিনের ছাপড়া ঘরে নিয়ে গিয়ে এলো পাথারিভাবে চর থাপ্পর ও লাথী ঘূষি মারে। আনোয়ার বুক ভরা ব্যাথা ও চোখে অশ্র নিয়ে বাড়িতে চলে আসে। একমাত্র ধুনট উপজেলার পুলিশ প্রশাসনের দূর্নীতির কারনে আনোয়ারের পরিবার ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে এবং ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুনকে অমানষিক নির্যাতনের শ্বীকার হতে হচ্ছে। এই সব ঘটনায় এই ঈঙ্গিত বহন করে যে, আনোয়ারকে নিঃসঙ্গ করে দিয়ে হত্যা করার পরিপূর্ণ পরিকল্পনা। অর্থাৎ একটা মানুষকে মেরে ফেলতে যত রকমের প্রস্ততি দরকার সব রকমের প্রস্ততি তারা সম্পূর্ণ করেছিল ঘাতক দল। আনোয়ার জানায় আমার ক্ষেত্রে যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে আমার মা’য়ের ক্ষেত্রে কি ধরনের আচরণ করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে বুঝা যায়। তার মা’কে যে, হত্যা করা হয়েছে তাতে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ থাকেনা। তখন আনোয়ার ছিল ঢাকায়। তার মা’র হত্যার বিচার চেয়েছে ঠিকই কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন বিচার পায়নি। এ ক্ষেত্রে বুঝা যায় পুলিশ, প্রশাসন আর অপরাধী আলাদা কোন সত্ত্বা নয়, তারা একই সূত্রে গাথা, যেন একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। বর্তমানে আনোয়ার ভাঙ্গা ঘরে ছোট মেয়েকে নিয়ে বড় উৎকণ্ঠায় জীবন যাপন করছে। আনোয়ারকে হত্যার পরিকল্পনা ও তার মা’কে হত্যার সাথে যারা জড়িত আছে তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তির প্রদানের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী করছে ভিক্টিম।




