সিলেটের,কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের দায়িত্বশীলদের উপর ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবং তাদের সাথে সম্পৃক্তত আছে অংশগ্রহণকারী অনেকেই। তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য হচ্ছে সমাজসেবা অফিসার আবু সাঈদ এই নিয়োগে স্বজন প্রীতি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই বিষয়ে অনেকেই বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখি করতেছে এবং এর প্রেক্ষিতেই বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদে বিক্ষোভ মিছিল করে। এই মিছিলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। আসাদুল হক সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সিলেট মহানগর ছাত্রদল।
এলাইছ আহমদ মেম্বার  সাবেক আহ্বায়ক কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিকদল।
আফিয়া বেগম সভাপতি মহিলা দল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা।
রাহেলা বেগম সাধারণ সম্পাদক মহিলাদল কো: উপজেলা।
মুহিবুর রহমান সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।
আলমগীর হাবিব শাহিন সাবেক আহ্বায়ক এম সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল। এও
পলাশ চৌধুরী ১নং সদর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক দল।
ইমন চৌধুরী যুগ্ম সম্পাদক এমসি কলেজ ছাত্রদল।
আব্দুল গাফফার সদস্য মুক্তিযুদ্ধা প্রজন্মদল সিলেট জেলা।
মোস্তাকিম আহমদ ছাত্রদল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা, সহ আরো অনেকে।
সকলের অভিযোগ এই নিয়োগ বাতিল করে নতুনভাবে অনুরোধ করার জন্য।
সমাজসেবা অফিসার আবু সাঈদ এর সাথে কথা বলে উনি জানান আমরা মৌখিক পরীক্ষার  মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদান করি আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না কারো রাজনৈতিক পরিচয়। এখানে যারা আবেদন করেছে সবারই শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল সেই সুবাদে আমরা সবার পরীক্ষা নেই এবং তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা করি।
উপজেলার ছয়টা দপ্তরের দায়িত্বশীলরা তাদের মৌখিক পরীক্ষা নেন এবং রেজাল্ট শিট তৈরি করেন তার উপর ভিত্তি করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এখানে আমাদের ব্যক্তিগতভাবে কোন কিছুই করার ছিল না।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

বাংলাদেশের মানুষও যুবকরা কারও চোখ রাঙানিকে ভয় পায়না”ফ্যাসিস্ট হতে পারবেন না, কিন্তু সেই পথেই হাটছেন ” ডা.শফিকুর রহমান

গাইবান্ধার সাঘাটায় সাইফুল্লাহ বারী ও সালাহউদ্দিন হত্যার প্রতিবাদ এবং হত্যাকাণ্ডে