ক্রেতা বিক্রেতার চাপ কম থাকলেও উত্তাপ কমেনি নিত্যপণ্যের বাজারে। মাস খানেক ধরে চড়া মুরগির বাজার আরও বেড়েছে ঈদের ছুটিতে। ফলে প্রতি কেজি সোনালির দাম ছাড়িয়েছে চারশ টাকা। সেই সাথে ব্রয়লারের দামও বেড়েছে নতুন করে। আর গরুর মাংস কিনতে হচ্ছে সোয়া আটশ টাকায়। যা নতুন করে ভোগাচ্ছে ঢাকাবাসীদের। অবশ্য কিছুটা স্বস্তি রয়েছে সবজির বাজারে।
ঈদের লম্বা ছুটি শেষ হলেও এখনো ফাঁকা রাজধানী ঢাকা। যার প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। ক্রেতা বিক্রেতার সাড়া নেই খুব একটা।
এমন বাস্তবতায় ঈদের আগের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে সবজির দাম। এই যেমন দেড়শ টাকায় বিক্রি হওয়া বেগুন ৮০, শসা ৫০, আর ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হওয়া লেবুর হালি নেমেছে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচও ৮০ টাকার ঘরে।
আলু আর পেঁয়াজ দাম অপরিবর্তিত থাকলেও ঝাঁজ কমেছে মসলাজাতীয় পণ্য রসুনের। ঈদের আগে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া রসুনের দর নেমেছে দু’শর নিচে। আর আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ মসলাজাতীয় পণ্য।
ঈদের ছুটিতে ক্রেতা কম থাকার পাশাপাশি বন্ধ বেশিরভাগ মুরগির মাংসের দোকানও। তবে কমেনি দামের উত্তাপ। প্রতি কেজি ব্রয়লার আড়াইশ, সোনালী চারশ আর দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে আটশ টাকা পর্যন্ত। কমেনি গরুর মাংসের দামও। বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮২০ টাকায়।
এদিকে গতকাল মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির আভাস দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।




