পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউএনওর নাম করে এক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিয়েছেন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও নিয়ে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে ভিডিওর বিপরীতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিচ্ছেন। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়— “বোর্ডে থাকমু আমি, ইউএনও আর ওসি। এর বাইরেও তিন-চারজন আছে।” পাশাপাশি ইউএনও অফিসের দুই কর্মচারী বশার ও মামুনের কথাও উল্লেখ করতে শোনা যায়। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তালিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ওই টাকার বান্ডিল নেওয়া হয়েছিল।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম দাবি করেছেন, তাকে ফাঁসানোর জন্যই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে এবং নেওয়া টাকাও ফেরত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ জানিয়েছেন, ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি বলেন, শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়েই গ্রাম পুলিশ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।



