কোনো কোনো যাত্রী ১০০-২০০ টাকা বেশি অফার করে যেতে চাচ্ছেন : সড়কমন্ত্রী

তালিকায় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কোথাও বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। কোনো কোনো যাত্রী বাসে বেশি ভাড়া অফার করছেন বলেও জানান তিনি।বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণত চার্টের চেয়ে কম ভাড়ায় বাসস্টপেজ থেকে যাত্রীরা গিয়ে অভ্যস্ত।

যখনই চাপ থাকে না তখন চার্টের চেয়েও কম ভাড়ায় বাস মালিকরা যাত্রী নেন। এখন চার্টের নির্ধারণ ভাড়াটাই নেওয়া হচ্ছে। যেসব যাত্রী কম ভাড়ায় যেত বা গিয়ে অভ্যস্ত তাদের কাছে মনে হচ্ছে ভাড়া বেশি নিচ্ছেন মালিকরা।’তিনি আরো বলেন, ‘পরিবহনগুলোতে সরকার নির্ধারিত ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে।

বেশি ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পুলিশের কাছে নেই। তবে কাউন্টার থেকে বাস ছেড়ে যাওয়ার পর রাস্তা থেকে যাত্রী তোলার সময় বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’মাঝপথ থেকে অনেক যাত্রী চালকদের বেশি টাকা অফার করে যেতে চান দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘চলার পথে যাত্রীদের একটা প্রবণতা আছে, যেহেতু আসন কম বাস কম এবং যাত্রী অনেক। তখন কেউ কেউ ১০০ বা ২০০ টাকা বেশি অফার করে নিজের স্বেচ্ছায় যেতে চাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও বাড়তি ভাড়া নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তবে এর মাঝেও বিচ্যুতি হচ্ছে না, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। যেখানে কিছু ব্যত্যয়, বিচ্যুতি রয়েছে সেখানেই অভিযান চালানো হচ্ছে।’এবারের স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রায় ভাড়া আদায়ের এই নৈরাজ্য গত ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করতে চলেছে বলে দাবি করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঈদে বাসে ও মিনিবাসে শুধু অতিরিক্ত ভাড়া হিসেবেই যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা বাড়তি হাতিয়ে নেওয়া হবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির অভিযোগ চ্যালেঞ্জ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। সমিতির সাধারণ সম্পাদকে ওপেন ডিবেটের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি।’ একই সঙ্গে বানোয়াট অভিযোগ না করে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন